লিবিয়ার পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে নারীসহ অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকা উল্টে সাগরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তা, নৌবাহিনী এবং চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্র আজ শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
লিবীয় নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, তোব্রুক শহরের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ১০ জন অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত ওই নৌকাটিতে প্রায় ৬১ জন আরোহী ছিলেন।
দুইজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত মরদেহে ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। ওই এলাকায় সাগরে আরও মরদেহ পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা সতর্ক করেছেন।
এদিকে তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, সাদা রঙের বিশেষ সুরক্ষামূলক পোশাক পরা স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূলের পাথুরে অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখছেন।
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে লিবিয়া উপকূলের এই ভূমধ্যসাগরীয় নৌরুটটি ইউরোপে পৌঁছানোর অন্যতম প্রধান করিডোর হয়ে উঠেছে। এশিয় ও আফ্রিকান অঞ্চলের সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে অভিবাসীরা মরুভূমি এবং ভূমধ্যসাগরের অত্যন্ত বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া তেলনির্ভর লিবীয়ার অর্থনীতিও কর্মসংস্থানের সন্ধানে আসা দরিদ্র অভিবাসীদের আকৃষ্ট করে থাকে, যার ফলে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ যাত্রার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।
এদিকে এক পৃথক ঘটনায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ জানিয়েছে, উপকূলে আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনার পর ১৩ অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
লিবিয়ার পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে নারীসহ অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকা উল্টে সাগরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তা, নৌবাহিনী এবং চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্র আজ শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
লিবীয় নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, তোব্রুক শহরের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ১০ জন অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত ওই নৌকাটিতে প্রায় ৬১ জন আরোহী ছিলেন।
দুইজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত মরদেহে ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। ওই এলাকায় সাগরে আরও মরদেহ পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা সতর্ক করেছেন।
এদিকে তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, সাদা রঙের বিশেষ সুরক্ষামূলক পোশাক পরা স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূলের পাথুরে অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখছেন।
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে লিবিয়া উপকূলের এই ভূমধ্যসাগরীয় নৌরুটটি ইউরোপে পৌঁছানোর অন্যতম প্রধান করিডোর হয়ে উঠেছে। এশিয় ও আফ্রিকান অঞ্চলের সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে অভিবাসীরা মরুভূমি এবং ভূমধ্যসাগরের অত্যন্ত বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া তেলনির্ভর লিবীয়ার অর্থনীতিও কর্মসংস্থানের সন্ধানে আসা দরিদ্র অভিবাসীদের আকৃষ্ট করে থাকে, যার ফলে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ যাত্রার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।
এদিকে এক পৃথক ঘটনায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ জানিয়েছে, উপকূলে আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনার পর ১৩ অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন