মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার (২১ জুন ২০২৬) এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।
প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিপাক্ষিক সফর শুরুর আগে শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। তিনি জানান, আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব আরও উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট (২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য) রাখা হয়েছে।
২১ জুন (বিকেল) ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা। ২৩-২৫ জুন চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশগ্রহণ। ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা। ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎ। ২৬ জুন (রাত) সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন।
‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশের ১,৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা ও প্রযুক্তিগত প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।
এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া সম্পর্ক, বাংলাদেশ চীন সম্পর্ক, তিস্তা প্রকল্প আলোচনা, সামার দাভোস ফোরাম, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় PM Tarique Rahman, Prime Minister Foreign Tour, Bangladesh Malaysia Relations, Bangladesh China Bilateral Visit, Teesta Project Discussion, Summer Davos Forum, Bilateral Agreements, Ministry of Foreign Affairs

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার (২১ জুন ২০২৬) এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।
প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিপাক্ষিক সফর শুরুর আগে শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। তিনি জানান, আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব আরও উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট (২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য) রাখা হয়েছে।
২১ জুন (বিকেল) ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা। ২৩-২৫ জুন চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশগ্রহণ। ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা। ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎ। ২৬ জুন (রাত) সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন।
‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশের ১,৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা ও প্রযুক্তিগত প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।
এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

আপনার মতামত লিখুন