সেনা ইউনিটের নামকরণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ পদক প্রত্যাহার করেছে পোল্যান্ড। এরপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি পদকটি পোল্যান্ডে ফিরিয়ে দিয়েছেন। জানা গেছে, দেশটির ডাক বিভাগের মাধ্যমে পদকটি পোল্যান্ডে পৌঁছে যাবে।
২০২৩ সালে পোল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা জেলেনস্কিকে নিরাপত্তা, প্রাণোচ্ছলতা এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য দেশটির সর্বোচ্চ পদক ‘অর্ডার অব হোয়াইট ঈগল’-এ ভূষিত করেছিলেন।
চলতি বছরের ২৬ মে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর একটি ইউনিটের নাম ‘ইউক্রেনস স্পেশাল অপারেশন ফোর্সেস’ নামে নামকরণ করেন জেলেনস্কি। এই নামকরণ নিয়েই পোল্যান্ডের সঙ্গে ইউক্রেনের তীব্র দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।
ইতিহাস অনুযায়ী, এই নামে ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল—যারা ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই গোষ্ঠীটি পোলিশ নাগরিকদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ঐতিহাসিক এই ক্ষতের কারণে ইউক্রেনীয় সেনাদলের এমন নামকরণের তীব্র বিরোধিতা করে পোল্যান্ড।
২০২২ সালে রাশিয়া যখন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় হামলা চালায়, তখন পোল্যান্ড লাখ লাখ ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় এবং কিয়েভকে সর্বাত্মক সামরিক ও মানবিক সহায়তা করে। তবে পোল্যান্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নোরোকি একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি মূলত ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিরোধিতা করে এবং সাধারণ মানুষের আবেগ কাজে লাগিয়ে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে বর্তমানে পোল্যান্ডে অবস্থানরত ইউক্রেনীয় নাগরিকরা প্রায়ই বিভিন্ন সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান পোলিশ প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নোরোকি জেলেনস্কিকে দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ পদকটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেন। তবে পোলিশ প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জেলেনস্কির পদক প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে পোল্যান্ডের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দেওয়া বন্ধ হবে না।
(সূত্র: সিএনএন)

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
সেনা ইউনিটের নামকরণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ পদক প্রত্যাহার করেছে পোল্যান্ড। এরপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি পদকটি পোল্যান্ডে ফিরিয়ে দিয়েছেন। জানা গেছে, দেশটির ডাক বিভাগের মাধ্যমে পদকটি পোল্যান্ডে পৌঁছে যাবে।
২০২৩ সালে পোল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা জেলেনস্কিকে নিরাপত্তা, প্রাণোচ্ছলতা এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য দেশটির সর্বোচ্চ পদক ‘অর্ডার অব হোয়াইট ঈগল’-এ ভূষিত করেছিলেন।
চলতি বছরের ২৬ মে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর একটি ইউনিটের নাম ‘ইউক্রেনস স্পেশাল অপারেশন ফোর্সেস’ নামে নামকরণ করেন জেলেনস্কি। এই নামকরণ নিয়েই পোল্যান্ডের সঙ্গে ইউক্রেনের তীব্র দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।
ইতিহাস অনুযায়ী, এই নামে ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল—যারা ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই গোষ্ঠীটি পোলিশ নাগরিকদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ঐতিহাসিক এই ক্ষতের কারণে ইউক্রেনীয় সেনাদলের এমন নামকরণের তীব্র বিরোধিতা করে পোল্যান্ড।
২০২২ সালে রাশিয়া যখন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় হামলা চালায়, তখন পোল্যান্ড লাখ লাখ ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় এবং কিয়েভকে সর্বাত্মক সামরিক ও মানবিক সহায়তা করে। তবে পোল্যান্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নোরোকি একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি মূলত ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিরোধিতা করে এবং সাধারণ মানুষের আবেগ কাজে লাগিয়ে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে বর্তমানে পোল্যান্ডে অবস্থানরত ইউক্রেনীয় নাগরিকরা প্রায়ই বিভিন্ন সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান পোলিশ প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নোরোকি জেলেনস্কিকে দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ পদকটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেন। তবে পোলিশ প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জেলেনস্কির পদক প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে পোল্যান্ডের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দেওয়া বন্ধ হবে না।
(সূত্র: সিএনএন)

আপনার মতামত লিখুন