গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কোনো ধরনের টোল বা মাশুল আদায় করতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সেখানে যদি কোনো টোল আদায় করা হয়-ই, তবে সেটি নেবে স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন:
"৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন হরমুজ প্রণালিতে কোনো টোল নেওয়া হবে না। ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেখানে কোনো টোল থাকবে না—যতক্ষণ না চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর 'গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল' বা অভিভাবক হিসেবে সেবা প্রদানের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজে সেখানে টোল আরোপ করছে।"
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে বিশ্বব্যাপী কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক শিপিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করে তেহরান। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হয়, যার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও সরাসরি আলোচনার পথ সুগম হয়। এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল ইরান হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখবে এবং কোনো জাহাজ থেকে টোল আদায় করতে পারবে না।
তবে লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলা অব্যাহত রাখায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে গতকাল শনিবার (২০ জুন) আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণা দেয় ইরানি সেনাবাহিনীর জয়েন্ট মিলিটারি কমান্ড।
ইরানের এই আকস্মিক ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে, যা দুই দেশের সদ্য হওয়া শান্তি চুক্তিকে এক বড় পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে।
ইরানের জলপথ বন্ধের ঘোষণার বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করছে। শনিবারও প্রায় ৫৫টি পণ্যবাহী ও তেলবাহী ট্যাঙ্কার এই রুট নিরাপদে অতিক্রম করেছে। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আন্তর্জাতিক এই জলপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।
(সূত্র: আলজাজিরা)

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কোনো ধরনের টোল বা মাশুল আদায় করতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সেখানে যদি কোনো টোল আদায় করা হয়-ই, তবে সেটি নেবে স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন:
"৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন হরমুজ প্রণালিতে কোনো টোল নেওয়া হবে না। ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেখানে কোনো টোল থাকবে না—যতক্ষণ না চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর 'গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল' বা অভিভাবক হিসেবে সেবা প্রদানের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজে সেখানে টোল আরোপ করছে।"
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে বিশ্বব্যাপী কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক শিপিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করে তেহরান। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হয়, যার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও সরাসরি আলোচনার পথ সুগম হয়। এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল ইরান হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখবে এবং কোনো জাহাজ থেকে টোল আদায় করতে পারবে না।
তবে লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলা অব্যাহত রাখায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে গতকাল শনিবার (২০ জুন) আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণা দেয় ইরানি সেনাবাহিনীর জয়েন্ট মিলিটারি কমান্ড।
ইরানের এই আকস্মিক ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে, যা দুই দেশের সদ্য হওয়া শান্তি চুক্তিকে এক বড় পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে।
ইরানের জলপথ বন্ধের ঘোষণার বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করছে। শনিবারও প্রায় ৫৫টি পণ্যবাহী ও তেলবাহী ট্যাঙ্কার এই রুট নিরাপদে অতিক্রম করেছে। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আন্তর্জাতিক এই জলপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।
(সূত্র: আলজাজিরা)

আপনার মতামত লিখুন