কাতারের শিল্পশহর রাস লাফফানের ‘বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেড’ নামের একটি বৃহৎ গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২১ জুন ২০২৬) সন্ধ্যার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ১৮ জন কর্মী।
কাতারের রাষ্ট্রয়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি ‘কাতার এনার্জি’ এবং দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথক বিবৃতিতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কারখানার অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই মূলত এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পর ফায়ার সার্ভিস এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা (সিভিল ডিফেন্স) বাহিনীর উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ঘণ্টার যৌথ ও আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধান পেতে জোরদার উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।
রাস লাফফান এলাকার বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে এর প্রকট শব্দ দূরবর্তী রাজধানী দোহা থেকেও পাওয়া গেছে। এছাড়া বিস্ফোরণের জেরে সৃষ্ট আগুনের লেলিহান শিখা প্রায় ২০ কিলোমিটার দূর থেকেও খালি চোখে দেখা যাচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে কারখানা ভবন থেকে বিশাল ও ভারী কালো ধোঁয়ার কুন্ডলি আকাশে উঠতে দেখা গেছে।
কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরল জ্বালানি গ্যাস বা এলএনজি (LNG) উৎপাদন ও রপ্তানিকারী দেশ। রাজধানী দোহা থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত রাস লাফফান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর; কারণ দেশটির অধিকাংশ এলএনজি প্রস্তুতকারী প্রধান প্রধান কারখানা এই শহরটিতেই অবস্থিত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানিয়েছেন, বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেডের কারখানার ভেতরে নতুন একটি গ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছিল। রোববার সেই প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরুর পরপরই আকস্মিক এই বিস্ফোরণ ঘটে। তবে আহত ও নিখোঁজদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক আছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এএফপি ও ফার্স্টপোস্ট।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
কাতারের শিল্পশহর রাস লাফফানের ‘বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেড’ নামের একটি বৃহৎ গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২১ জুন ২০২৬) সন্ধ্যার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ১৮ জন কর্মী।
কাতারের রাষ্ট্রয়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি ‘কাতার এনার্জি’ এবং দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথক বিবৃতিতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কারখানার অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই মূলত এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পর ফায়ার সার্ভিস এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা (সিভিল ডিফেন্স) বাহিনীর উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ঘণ্টার যৌথ ও আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধান পেতে জোরদার উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।
রাস লাফফান এলাকার বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে এর প্রকট শব্দ দূরবর্তী রাজধানী দোহা থেকেও পাওয়া গেছে। এছাড়া বিস্ফোরণের জেরে সৃষ্ট আগুনের লেলিহান শিখা প্রায় ২০ কিলোমিটার দূর থেকেও খালি চোখে দেখা যাচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে কারখানা ভবন থেকে বিশাল ও ভারী কালো ধোঁয়ার কুন্ডলি আকাশে উঠতে দেখা গেছে।
কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরল জ্বালানি গ্যাস বা এলএনজি (LNG) উৎপাদন ও রপ্তানিকারী দেশ। রাজধানী দোহা থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত রাস লাফফান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর; কারণ দেশটির অধিকাংশ এলএনজি প্রস্তুতকারী প্রধান প্রধান কারখানা এই শহরটিতেই অবস্থিত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানিয়েছেন, বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেডের কারখানার ভেতরে নতুন একটি গ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছিল। রোববার সেই প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরুর পরপরই আকস্মিক এই বিস্ফোরণ ঘটে। তবে আহত ও নিখোঁজদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক আছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এএফপি ও ফার্স্টপোস্ট।

আপনার মতামত লিখুন