চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মহাবিপন্ন ‘হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ’ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। উদ্ধারের পর কচ্ছপটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বস্তা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কৌতূহলবশত বস্তাটি খোলার পর ভেতরে কচ্ছপটি দেখতে পেয়ে তারা বন বিভাগকে খবর দেন। পরে বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাণীটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "প্রথমে আমরা এটিকে সাধারণ কোনো কচ্ছপ মনে করেছিলাম। কিন্তু পরে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জানতে পারি, এটি অত্যন্ত বিরল ও মহাবিপন্ন প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ।"
বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "উদ্ধার হওয়া প্রাণীটি মূলত স্থলভাগে বসবাসকারী মহাবিপন্ন প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রাণীটিকে তার নিরাপদ ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।"
বন বিভাগ ও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৩০ প্রজাতির কচ্ছপ ও কাছিম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এই হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ অন্যতম মহাবিপন্ন (Critically Endangered) প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত, যা বন উজাড় ও পাচারের কারণে বর্তমানে বিলুপ্তির চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মহাবিপন্ন ‘হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ’ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। উদ্ধারের পর কচ্ছপটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বস্তা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কৌতূহলবশত বস্তাটি খোলার পর ভেতরে কচ্ছপটি দেখতে পেয়ে তারা বন বিভাগকে খবর দেন। পরে বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাণীটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "প্রথমে আমরা এটিকে সাধারণ কোনো কচ্ছপ মনে করেছিলাম। কিন্তু পরে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জানতে পারি, এটি অত্যন্ত বিরল ও মহাবিপন্ন প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ।"
বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "উদ্ধার হওয়া প্রাণীটি মূলত স্থলভাগে বসবাসকারী মহাবিপন্ন প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রাণীটিকে তার নিরাপদ ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।"
বন বিভাগ ও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৩০ প্রজাতির কচ্ছপ ও কাছিম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এই হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ অন্যতম মহাবিপন্ন (Critically Endangered) প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত, যা বন উজাড় ও পাচারের কারণে বর্তমানে বিলুপ্তির চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন