প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বেইজিং। এই সফরকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে তারা।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত করা, সব খাতে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বেইজিং।
সোমবার (২২ জুন) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অত্যন্ত ইতিবাচক প্রত্যাশার কথা জানান।
চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন চীনে সরকারি সফরে থাকবেন। এর আগে, সফরের প্রথম অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে সোমবারই তিনি চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন এবং সেখানে পৌঁছান। দালিয়ানে দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটানোর পর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছাবেন, যেখানে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। সফরকালে চীনের শীর্ষ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব তার সঙ্গে বিশেষ বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় মিলিত হবেন।"
তিনি আরও জানান, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে, যা আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।
মুখপাত্র নিশ্চিত করেন যে, বেইজিংয়ে সরকারি সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তর-পূর্ব চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ১৭তম 'নিউ চ্যাম্পিয়নস'-এর বার্ষিক সভায় (২০২৬ সামার দাভোস ফোরাম) অংশগ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশ-চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় তথা ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ পদার্পণের কথা উল্লেখ করে বেইজিংয়ের এই মুখপাত্র বলেন, "চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের দূরদর্শী নেতৃত্বের হাত ধরে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে এবং রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে।"
বাস্তবমুখী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই ফলপ্রসূ অর্জন সম্ভব হয়েছে, যা দুই দেশের জনগণের জন্যই দৃশ্যমান সুফল বয়ে এনেছে বলে মন্তব্য করেন গুও জিয়াকুন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, চীন সফর, বেইজিং, বেল্ট অ্যান্ড রোড, সামার দাভোস ২০২৬, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, গুও জিয়াকুন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি Prime Minister Tariq Rahman, China Visit, Beijing, Belt and Road Initiative, Summer Davos 2026, Bangladesh-China Relations, Guo Jiakun, International Diplomacy

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বেইজিং। এই সফরকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে তারা।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত করা, সব খাতে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বেইজিং।
সোমবার (২২ জুন) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অত্যন্ত ইতিবাচক প্রত্যাশার কথা জানান।
চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন চীনে সরকারি সফরে থাকবেন। এর আগে, সফরের প্রথম অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে সোমবারই তিনি চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন এবং সেখানে পৌঁছান। দালিয়ানে দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটানোর পর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছাবেন, যেখানে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। সফরকালে চীনের শীর্ষ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব তার সঙ্গে বিশেষ বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় মিলিত হবেন।"
তিনি আরও জানান, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে, যা আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।
মুখপাত্র নিশ্চিত করেন যে, বেইজিংয়ে সরকারি সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তর-পূর্ব চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ১৭তম 'নিউ চ্যাম্পিয়নস'-এর বার্ষিক সভায় (২০২৬ সামার দাভোস ফোরাম) অংশগ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশ-চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় তথা ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ পদার্পণের কথা উল্লেখ করে বেইজিংয়ের এই মুখপাত্র বলেন, "চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের দূরদর্শী নেতৃত্বের হাত ধরে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে এবং রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে।"
বাস্তবমুখী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই ফলপ্রসূ অর্জন সম্ভব হয়েছে, যা দুই দেশের জনগণের জন্যই দৃশ্যমান সুফল বয়ে এনেছে বলে মন্তব্য করেন গুও জিয়াকুন।

আপনার মতামত লিখুন