সংসদীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউসে দেশটির হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্পিকার মিল্টন ডিক চলতি বছরের এপ্রিলে তার ঢাকা সফরকালে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের প্রশংসা করেন।
এছাড়া, দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন তিনি।
উভয় পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে উভয় দেশের সংসদীয় দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে দুই পক্ষই গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এই বৈঠকটি বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতার একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পররাষ্ট্রনীতি, সংসদীয় সহযোগিতা, শিক্ষা ও বাণিজ্য, বাংলাদেশ হাইকমিশন, অস্ট্রেলিয়া সফর Bangladesh, Australia, Bilateral relations, Foreign policy, Parliamentary cooperation, Trade and education, Bangladesh High Commission, Diplomatic ties

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
সংসদীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউসে দেশটির হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্পিকার মিল্টন ডিক চলতি বছরের এপ্রিলে তার ঢাকা সফরকালে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের প্রশংসা করেন।
এছাড়া, দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন তিনি।
উভয় পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে উভয় দেশের সংসদীয় দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে দুই পক্ষই গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এই বৈঠকটি বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতার একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন