কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির তদন্তের অংশ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিন নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। মঙ্গলবার প্রকাশিত সাক্ষ্যের অনুলিপি থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।
কংগ্রেসের সদস্যদের জেরার মুখে গেটস জানান, রাশিয়ার দুই নারী—ব্রিজরুলার মিলা আন্তোনোভা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী কারিমা নিগমাতুলিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে তিনি তৃতীয় আরেক নারী বিজ্ঞানী ড. অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরোটের সঙ্গেও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।
সাক্ষ্যপর্বে বিল গেটস দাবি করেন, জেফ্রি এপস্টেইন তার এই ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়গুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, ২০১১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা হওয়ার অনেক আগেই ড. নেসেলরোটের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। ২০১৩ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে সিয়াটলে এক বৈঠকে রুশ নারীদের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে পরোক্ষ ইঙ্গিত দিয়ে এপস্টেইন তাকে আর্থিক সুবিধা আদায়ের হুমকি দিয়েছিলেন। গেটস জানান, তিনি সেই হুমকি বা ব্ল্যাকমেইলকে গুরুত্ব দেননি।
এপস্টেইনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের অস্বস্তিকর তথ্য ফাঁস হওয়ার পর গেটস বারবার যেকোনো ধরনের যৌন অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, এপস্টেইনের বৃত্তে থাকা কিছু নারী ও কন্যাশিশুর সংস্পর্শে তিনি অজান্তেই হয়তো গিয়ে থাকতে পারেন।
২০১৩ সালে এপস্টেইনের এক মেমোতে দাবি করা হয়েছিল যে, গেটস যৌনবাহিত রোগে (এসটিডি) আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ বিষয়ে গেটস বলেন, "আমার কখনও এসটিডি ছিল না। তবে সম্পর্কের কারণে একসময় আমি কিছুটা শঙ্কিত ছিলাম, যে বিষয়ে হয়তো পরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলেছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই কাউকে গোপনে কোনো ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করিনি।"
২০১৯ সালে কারাগারে মারা যাওয়া জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে বিল গেটসের ১২ থেকে ১৪ বার সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে তিনি স্বীকার করেন। গেটস বলেন, বৈঠকগুলো মূলত দাতব্য কাজের বিষয়ে হলেও, এপস্টেইনের সঙ্গে মেলামেশা ছিল তার জীবনের অন্যতম একটি ‘ভুল’।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির তদন্তের অংশ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিন নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। মঙ্গলবার প্রকাশিত সাক্ষ্যের অনুলিপি থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।
কংগ্রেসের সদস্যদের জেরার মুখে গেটস জানান, রাশিয়ার দুই নারী—ব্রিজরুলার মিলা আন্তোনোভা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী কারিমা নিগমাতুলিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে তিনি তৃতীয় আরেক নারী বিজ্ঞানী ড. অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরোটের সঙ্গেও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।
সাক্ষ্যপর্বে বিল গেটস দাবি করেন, জেফ্রি এপস্টেইন তার এই ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়গুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, ২০১১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা হওয়ার অনেক আগেই ড. নেসেলরোটের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। ২০১৩ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে সিয়াটলে এক বৈঠকে রুশ নারীদের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে পরোক্ষ ইঙ্গিত দিয়ে এপস্টেইন তাকে আর্থিক সুবিধা আদায়ের হুমকি দিয়েছিলেন। গেটস জানান, তিনি সেই হুমকি বা ব্ল্যাকমেইলকে গুরুত্ব দেননি।
এপস্টেইনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের অস্বস্তিকর তথ্য ফাঁস হওয়ার পর গেটস বারবার যেকোনো ধরনের যৌন অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, এপস্টেইনের বৃত্তে থাকা কিছু নারী ও কন্যাশিশুর সংস্পর্শে তিনি অজান্তেই হয়তো গিয়ে থাকতে পারেন।
২০১৩ সালে এপস্টেইনের এক মেমোতে দাবি করা হয়েছিল যে, গেটস যৌনবাহিত রোগে (এসটিডি) আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ বিষয়ে গেটস বলেন, "আমার কখনও এসটিডি ছিল না। তবে সম্পর্কের কারণে একসময় আমি কিছুটা শঙ্কিত ছিলাম, যে বিষয়ে হয়তো পরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলেছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই কাউকে গোপনে কোনো ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করিনি।"
২০১৯ সালে কারাগারে মারা যাওয়া জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে বিল গেটসের ১২ থেকে ১৪ বার সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে তিনি স্বীকার করেন। গেটস বলেন, বৈঠকগুলো মূলত দাতব্য কাজের বিষয়ে হলেও, এপস্টেইনের সঙ্গে মেলামেশা ছিল তার জীবনের অন্যতম একটি ‘ভুল’।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

আপনার মতামত লিখুন