২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেয়েছেন বর্তমান প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় একমাত্র আসামি হিসেবে সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গউছসহ মোট ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য দুই আসামি জেএমবি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান মুন্সী ও বিপুলের ফাঁসি অন্য মামলায় আগেই কার্যকর হয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এক রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং কমপক্ষে ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল। দীর্ঘ ২২ বছর পর ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।
রায়ের সময় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছসহ আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেয়েছেন বর্তমান প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় একমাত্র আসামি হিসেবে সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গউছসহ মোট ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য দুই আসামি জেএমবি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান মুন্সী ও বিপুলের ফাঁসি অন্য মামলায় আগেই কার্যকর হয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এক রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং কমপক্ষে ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল। দীর্ঘ ২২ বছর পর ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।
রায়ের সময় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছসহ আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন