ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কালিন্দী এলাকায় অবস্থিত ‘আহাদ প্রোডাক্টস’ নামক একটি প্রসাধনী কারখানায় ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুখ ফর্সাকারী ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির নেই কোনো সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানাটির পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। প্রসাধনী তৈরির কাঁচামাল রাখা হয়েছে টয়লেটের পাশেই, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় কোনো দক্ষ কেমিস্ট বা মান নিয়ন্ত্রণের বালাই নেই।
কারখানাটির মালিক মতিউর রহমান হলেও এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন তার ছেলে আহাদ। কারখানায় কোনো ল্যাব টেস্ট বা কেমিস্টের উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আহাদ দাবি করেন, তার বাবা মতিউর রহমান নিজেই একজন কেমিস্ট। তবে তার পেশাগত যোগ্যতা বা সার্টিফিকেটের কোনো প্রমাণ চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্টো তিনি জানান, সার্টিফিকেটের চেয়ে তাদের অভিজ্ঞতাই বড়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রসাধনী পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে হলে ড্রাগ লাইসেন্স, বিএসটিআই-এর অনুমোদন এবং দক্ষ কেমিস্টের তত্ত্বাবধান বাধ্যতামূলক। কিন্তু আহাদ প্রোডাক্টস কোনো নিয়মই মানছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো প্রকার নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই এখানে নিয়মিত নিম্নমানের ফর্সাকারী ক্রিম, লোশন ও সাবান তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কারখানার পরিচালক আহাদের কাছে বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং মালিক মতিউর রহমানেরও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত এসব প্রসাধনী ব্যবহার করা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তদন্ত সাপেক্ষে কারখানাটির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কালিন্দী এলাকায় অবস্থিত ‘আহাদ প্রোডাক্টস’ নামক একটি প্রসাধনী কারখানায় ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুখ ফর্সাকারী ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির নেই কোনো সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানাটির পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। প্রসাধনী তৈরির কাঁচামাল রাখা হয়েছে টয়লেটের পাশেই, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় কোনো দক্ষ কেমিস্ট বা মান নিয়ন্ত্রণের বালাই নেই।
কারখানাটির মালিক মতিউর রহমান হলেও এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন তার ছেলে আহাদ। কারখানায় কোনো ল্যাব টেস্ট বা কেমিস্টের উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আহাদ দাবি করেন, তার বাবা মতিউর রহমান নিজেই একজন কেমিস্ট। তবে তার পেশাগত যোগ্যতা বা সার্টিফিকেটের কোনো প্রমাণ চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্টো তিনি জানান, সার্টিফিকেটের চেয়ে তাদের অভিজ্ঞতাই বড়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রসাধনী পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে হলে ড্রাগ লাইসেন্স, বিএসটিআই-এর অনুমোদন এবং দক্ষ কেমিস্টের তত্ত্বাবধান বাধ্যতামূলক। কিন্তু আহাদ প্রোডাক্টস কোনো নিয়মই মানছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো প্রকার নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই এখানে নিয়মিত নিম্নমানের ফর্সাকারী ক্রিম, লোশন ও সাবান তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কারখানার পরিচালক আহাদের কাছে বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং মালিক মতিউর রহমানেরও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত এসব প্রসাধনী ব্যবহার করা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তদন্ত সাপেক্ষে কারখানাটির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

আপনার মতামত লিখুন