আফগানিস্তানে সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। দেশটির সামরিক আদালতের নির্দেশনায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা আদালতের একটি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৬ জুন থেকে বিচারকসহ সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তার জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, যারা এই নিয়ম অমান্য করবেন, তাদের মুঠোফোন ভেঙে ফেলা হবে এবং আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে দেশটির অন্তত একটি প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ (পাঞ্জশির) এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।
স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করার ফলে সরকারি দাপ্তরিক কাজকর্মে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারি কর্মকর্তা জানান, দাপ্তরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল হোয়াটসঅ্যাপ এবং ই-মেইল। স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় অধিকাংশ প্রশাসনিক কাজ এখন কার্যত স্থবির
তালেবানের এই পদক্ষেপকে তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার খর্ব করার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আফগান নারী অধিকার কর্মী সানাম কাবিরি বলেন, "স্মার্টফোন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়। সরকারি দপ্তরে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নয়, বরং তথ্যপ্রাপ্তি এবং যোগাযোগ সীমিত করা।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তালেবান সরকার গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং নারী ও শিশুর অধিকারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর এই নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ারই আরেকটি ধাপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
আফগানিস্তানে সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। দেশটির সামরিক আদালতের নির্দেশনায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা আদালতের একটি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৬ জুন থেকে বিচারকসহ সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তার জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, যারা এই নিয়ম অমান্য করবেন, তাদের মুঠোফোন ভেঙে ফেলা হবে এবং আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে দেশটির অন্তত একটি প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ (পাঞ্জশির) এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।
স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করার ফলে সরকারি দাপ্তরিক কাজকর্মে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারি কর্মকর্তা জানান, দাপ্তরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল হোয়াটসঅ্যাপ এবং ই-মেইল। স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় অধিকাংশ প্রশাসনিক কাজ এখন কার্যত স্থবির
তালেবানের এই পদক্ষেপকে তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার খর্ব করার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আফগান নারী অধিকার কর্মী সানাম কাবিরি বলেন, "স্মার্টফোন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়। সরকারি দপ্তরে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নয়, বরং তথ্যপ্রাপ্তি এবং যোগাযোগ সীমিত করা।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তালেবান সরকার গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং নারী ও শিশুর অধিকারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর এই নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ারই আরেকটি ধাপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন