জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল রোববার (২৮ জুন)। রায়ের পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এটি পঞ্চম রায় হবে। ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় প্রদান করবেন। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১৫ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। অন্যদিকে, রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন দাবি করেন যে, ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এই মামলায় পাঁচজন আসামির মধ্যে কেবল চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকি চারজন পলাতক। পলাতক আসামিরা হলেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান এবং রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। এরপর বেশ কয়েক দফা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলার কার্যক্রম এগিয়ে চলে এবং ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স জমা দেওয়ার সাপেক্ষে পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর আজ রায়ের দিন ধার্য হলো।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল রোববার (২৮ জুন)। রায়ের পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এটি পঞ্চম রায় হবে। ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় প্রদান করবেন। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১৫ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। অন্যদিকে, রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন দাবি করেন যে, ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এই মামলায় পাঁচজন আসামির মধ্যে কেবল চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকি চারজন পলাতক। পলাতক আসামিরা হলেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান এবং রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। এরপর বেশ কয়েক দফা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলার কার্যক্রম এগিয়ে চলে এবং ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স জমা দেওয়ার সাপেক্ষে পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর আজ রায়ের দিন ধার্য হলো।

আপনার মতামত লিখুন