দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন বা টিভি ছেড়ে দেওয়ার অভ্যাস তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাজ্যের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, যা ‘১০০১ ক্রিটিক্যাল ডেইস’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকদের মতে, অভিভাবকরা অনেক সময় অসচেতনভাবে শিশুদের হাতে এসব ডিভাইস তুলে দেন, যা শিশুদের জন্য অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও সম্পর্কের জন্ম দিচ্ছে।
ডিভাইসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের কথা বলার ও ভাষা শেখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যস্ত থাকায় অভিভাবক ও শিশুর মধ্যে যে আবেগীয় বন্ধন ও যোগাযোগের প্রয়োজন, তা তৈরি হতে পারে না।
ডিভাইসের কারণে শিশুরা তাদের শারীরিক ও সৃজনশীল খেলাধুলার সময় হারিয়ে ফেলে।
অতিরিক্ত উদ্দীপনার ফলে শিশুদের ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে এবং চোখের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া শিশু বয়সেই স্থূলতা বা অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি দেখা দেয়।
গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, যে বয়সে শিশুরা আরাম বা প্রশান্তির জন্য বাবা-মাকে খুঁজবে, তারা এখন সেই প্রশান্তি ডিভাইসের মধ্যে খুঁজছে।
গবেষণার সহ-নেতৃত্বদানকারী লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার রাফে কায়টন জানান, শিশুদের ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নির্দেশনার অভাব রয়েছে। তিনি দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের যেকোনো ধরনের স্ক্রিন টাইম থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন বা টিভি ছেড়ে দেওয়ার অভ্যাস তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাজ্যের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, যা ‘১০০১ ক্রিটিক্যাল ডেইস’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকদের মতে, অভিভাবকরা অনেক সময় অসচেতনভাবে শিশুদের হাতে এসব ডিভাইস তুলে দেন, যা শিশুদের জন্য অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও সম্পর্কের জন্ম দিচ্ছে।
ডিভাইসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের কথা বলার ও ভাষা শেখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যস্ত থাকায় অভিভাবক ও শিশুর মধ্যে যে আবেগীয় বন্ধন ও যোগাযোগের প্রয়োজন, তা তৈরি হতে পারে না।
ডিভাইসের কারণে শিশুরা তাদের শারীরিক ও সৃজনশীল খেলাধুলার সময় হারিয়ে ফেলে।
অতিরিক্ত উদ্দীপনার ফলে শিশুদের ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে এবং চোখের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া শিশু বয়সেই স্থূলতা বা অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি দেখা দেয়।
গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, যে বয়সে শিশুরা আরাম বা প্রশান্তির জন্য বাবা-মাকে খুঁজবে, তারা এখন সেই প্রশান্তি ডিভাইসের মধ্যে খুঁজছে।
গবেষণার সহ-নেতৃত্বদানকারী লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার রাফে কায়টন জানান, শিশুদের ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নির্দেশনার অভাব রয়েছে। তিনি দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের যেকোনো ধরনের স্ক্রিন টাইম থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন