যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১৭ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চুক্তির শর্তানুসারে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব তেহরানের। এখন থেকে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনো জাহাজের বিরুদ্ধে অতীতের চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন হামলার মতো কোনো অজুহাতে শত্রু পক্ষ আগ্রাসন চালালে তার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আইআরজিসির মতে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হলে বিদ্যমান সব আলোচনা ও প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং মাইন স্থাপনের সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, সর্বশেষ দফায় তাদের পাঁচটি উপকূলীয় অবস্থানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রাম এবং কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, এই পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ না করলে এ পরিস্থিতি ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, "যদি এমন কিছু ঘটে, তবে ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।"
বর্তমানে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১৭ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চুক্তির শর্তানুসারে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব তেহরানের। এখন থেকে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনো জাহাজের বিরুদ্ধে অতীতের চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন হামলার মতো কোনো অজুহাতে শত্রু পক্ষ আগ্রাসন চালালে তার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আইআরজিসির মতে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হলে বিদ্যমান সব আলোচনা ও প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং মাইন স্থাপনের সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, সর্বশেষ দফায় তাদের পাঁচটি উপকূলীয় অবস্থানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রাম এবং কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, এই পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ না করলে এ পরিস্থিতি ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, "যদি এমন কিছু ঘটে, তবে ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।"
বর্তমানে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন