যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের উন্নত মডেলগুলোর ওপর সরকারি বিধিনিষেধ আরোপের ফলে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বাজারে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। এই সুযোগে এশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণে নতুন নতুন এআই মডেল বাজারে নিয়ে আসছে।
জাপানের স্টার্টআপ সাকানা এআই উন্মোচন করেছে তাদের নতুন এআই মডেল ‘ফুগু’। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি অ্যানথ্রপিকের শক্তিশালী মডেলের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার সক্ষমতা রাখে। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, এটি একাধিক এআই সিস্টেমকে একসঙ্গে পরিচালনা করতে পারে, যার ফলে ব্যবহারকারীরা কোনো নির্দিষ্ট একক প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল না থেকে বিভিন্ন মডেলের সুবিধা নিতে পারবেন। এটি মূলত জাপানের ব্যবসায়িক ও সরকারি খাতের চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে চীনও পিছিয়ে নেই। দেশটির সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ৩৬০ নতুন দুটি এআই টুল নিয়ে এসেছে:
তুলংফেং এটি সফটওয়্যারের দুর্বলতা বা বাগ খুঁজে বের করতে সক্ষম।ইতিয়ানঝেন এটি মূলত উন্নত সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি নিয়ে এক দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ডিজিটাল ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। তাই বর্তমানে অনেক দেশই নিজস্ব এআই সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর এই অগ্রগতি বিশ্ববাজারে এআই নিয়ে দীর্ঘদিনের মার্কিন একক আধিপত্যে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের আভাস দিচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এআই প্রযুক্তির গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বর্তমান এই অস্থির পরিস্থিতি এআই বাজারে আগামী দিনে তীব্র প্রতিযোগিতার বার্তা দিচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী প্রযুক্তির সুযোগ তৈরি করবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের উন্নত মডেলগুলোর ওপর সরকারি বিধিনিষেধ আরোপের ফলে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বাজারে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। এই সুযোগে এশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণে নতুন নতুন এআই মডেল বাজারে নিয়ে আসছে।
জাপানের স্টার্টআপ সাকানা এআই উন্মোচন করেছে তাদের নতুন এআই মডেল ‘ফুগু’। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি অ্যানথ্রপিকের শক্তিশালী মডেলের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার সক্ষমতা রাখে। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, এটি একাধিক এআই সিস্টেমকে একসঙ্গে পরিচালনা করতে পারে, যার ফলে ব্যবহারকারীরা কোনো নির্দিষ্ট একক প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল না থেকে বিভিন্ন মডেলের সুবিধা নিতে পারবেন। এটি মূলত জাপানের ব্যবসায়িক ও সরকারি খাতের চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে চীনও পিছিয়ে নেই। দেশটির সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ৩৬০ নতুন দুটি এআই টুল নিয়ে এসেছে:
তুলংফেং এটি সফটওয়্যারের দুর্বলতা বা বাগ খুঁজে বের করতে সক্ষম।ইতিয়ানঝেন এটি মূলত উন্নত সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি নিয়ে এক দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ডিজিটাল ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। তাই বর্তমানে অনেক দেশই নিজস্ব এআই সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর এই অগ্রগতি বিশ্ববাজারে এআই নিয়ে দীর্ঘদিনের মার্কিন একক আধিপত্যে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের আভাস দিচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এআই প্রযুক্তির গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বর্তমান এই অস্থির পরিস্থিতি এআই বাজারে আগামী দিনে তীব্র প্রতিযোগিতার বার্তা দিচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী প্রযুক্তির সুযোগ তৈরি করবে।

আপনার মতামত লিখুন