চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কওমি ধারার মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একইসঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং যোগ্য সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনার ১৮তম দিনে অংশ নিয়ে তিনি এসব দাবি জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। কিন্তু বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের মানদণ্ড বজায় রাখতে পারছে না। অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও বিশ্ব র্যাংকিংয়ে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। এর মূল কারণ হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও মিশনের অভাব এবং রাজনৈতিক প্রভাব।’
কওমি মাদ্রাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কওমি ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি অনুদান গ্রহণে দ্বিধাবোধ করে কারণ এতে শিক্ষার মৌলিকত্ব হারানোর ভয় থাকে। সরকারের উচিত তাদের সর্বোচ্চ সংস্থা ‘হায়াতুল উলইয়ার’ সঙ্গে আলোচনা করে একটি পথ বের করা, যাতে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের হক বা অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।’
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা এক প্রকার জুলুম। রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে একটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে মান যাচাই করে দ্রুত সব যোগ্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা প্রয়োজন।’
বাজেট আলোচনায় তিনি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অন্তত পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ তহবিল ও অ্যাসাইনমেন্টের আওতায় এনে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তর করা। পাহাড়ের অনগ্রসর ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করলে পাহাড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।
সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত সরকারি শিক্ষা নিশ্চিত করা পুরোপুরি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কওমি ধারার মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একইসঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং যোগ্য সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনার ১৮তম দিনে অংশ নিয়ে তিনি এসব দাবি জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। কিন্তু বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের মানদণ্ড বজায় রাখতে পারছে না। অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও বিশ্ব র্যাংকিংয়ে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। এর মূল কারণ হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও মিশনের অভাব এবং রাজনৈতিক প্রভাব।’
কওমি মাদ্রাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কওমি ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি অনুদান গ্রহণে দ্বিধাবোধ করে কারণ এতে শিক্ষার মৌলিকত্ব হারানোর ভয় থাকে। সরকারের উচিত তাদের সর্বোচ্চ সংস্থা ‘হায়াতুল উলইয়ার’ সঙ্গে আলোচনা করে একটি পথ বের করা, যাতে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের হক বা অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।’
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা এক প্রকার জুলুম। রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে একটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে মান যাচাই করে দ্রুত সব যোগ্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা প্রয়োজন।’
বাজেট আলোচনায় তিনি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অন্তত পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ তহবিল ও অ্যাসাইনমেন্টের আওতায় এনে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তর করা। পাহাড়ের অনগ্রসর ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করলে পাহাড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।
সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত সরকারি শিক্ষা নিশ্চিত করা পুরোপুরি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন