পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।
আজ বুধবার (১ জুলাই) ভয়াবহ হলি আর্টিজান বেকারি হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে আয়োজিত এক স্মারক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের শক্তির বাংলাদেশে কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার সুযোগ তাদের দেওয়া হবে না।”
নিহতদের স্মরণ করে শামা ওবায়েদ বলেন, “আমরা শুধু তাদের স্মৃতির প্রতি নয়, তাদের পরিবারগুলোর সাহস, সহনশীলতা ও ঐক্যের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাই। একজন মা ও অভিভাবক হিসেবে সন্তান ও পরিবারের সদস্য হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর সহমর্মিতা রইলো। তাদের স্মৃতি যেন ঘৃণা ও সংঘাতের বিরুদ্ধে আমাদের পথ দেখায়। মানবতা, সহমর্মিতা ও সহনশীলতার মূল্যবোধ আমরা যেন সবসময় ধরে রাখি।”
সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্মরণ অনুষ্ঠানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় নিহতদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টা এবং অর্জনের কথা স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি দল। অনুষ্ঠান শেষে হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।
আজ বুধবার (১ জুলাই) ভয়াবহ হলি আর্টিজান বেকারি হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে আয়োজিত এক স্মারক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের শক্তির বাংলাদেশে কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার সুযোগ তাদের দেওয়া হবে না।”
নিহতদের স্মরণ করে শামা ওবায়েদ বলেন, “আমরা শুধু তাদের স্মৃতির প্রতি নয়, তাদের পরিবারগুলোর সাহস, সহনশীলতা ও ঐক্যের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাই। একজন মা ও অভিভাবক হিসেবে সন্তান ও পরিবারের সদস্য হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর সহমর্মিতা রইলো। তাদের স্মৃতি যেন ঘৃণা ও সংঘাতের বিরুদ্ধে আমাদের পথ দেখায়। মানবতা, সহমর্মিতা ও সহনশীলতার মূল্যবোধ আমরা যেন সবসময় ধরে রাখি।”
সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্মরণ অনুষ্ঠানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় নিহতদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টা এবং অর্জনের কথা স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি দল। অনুষ্ঠান শেষে হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন