নজর বিডি
আপডেট : বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

খিলক্ষেত থানা কমিউনিটি পুলিশিং

‘কমিউনিটির কণ্ঠস্বর’ নাকি রাজনৈতিক বলয়?

‘কমিউনিটির কণ্ঠস্বর’ নাকি রাজনৈতিক বলয়?

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে থানা-ভিত্তিক নতুন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের ধারাবাহিকতায় খিলক্ষেত থানার নবগঠিত কমিটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। 

কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের একচেটিয়া প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা। 

তাঁদের দাবি, এতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার মূল উদ্দেশ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে মো. আক্তার হোসেনকে, যিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ফজলুল হক। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে থানা বিএনপির সদস্য সচিব সোহরাব খান স্বপনকে। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন দেওয়ান।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি সদস্যরাও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতা বা সক্রিয় কর্মী। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে আট সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ নিয়েও। স্থানীয়দের ভাষ্য, কার্যনির্বাহী কমিটির ১৬ সদস্য এবং উপদেষ্টা পরিষদের ৮ সদস্যের মধ্যে প্রায় সবাই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ফলে অন্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক সংগঠন কিংবা নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব এখানে কার্যত অনুপস্থিত।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা। এ কারণে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, নারী প্রতিনিধি, তরুণ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের কমিটির গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশেই নির্ভর করে এর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, খিলক্ষেতের নবগঠিত কমিটিতে সেই ভারসাম্যের ন্যূনতম প্রতিফলন ঘটেনি। এতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শতভাগ প্রাধান্য থাকায় কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খিলক্ষেতের একজন প্রবীণ শিক্ষক বলেন, "কমিউনিটি পুলিশিং একটি অরাজনৈতিক নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে যদি একটি রাজনৈতিক বলয়ের আধিপত্য থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।"

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ঘোষিত কমিটি যেভাবে করা হয়েছে, তাতে এটিকে 'বিএনপি কমিউনিটি পুলিশ' বললেও খুব একটা ভুল হবে না। কারণ এখানে সমাজের সব শ্রেণি-পেশা ও মতের মানুষের কোনো প্রতিনিধিত্ব দেখা যাচ্ছে না।"

একই সুর খিলক্ষেতের একজন ব্যবসায়ীর কণ্ঠেও। তিনি বলেন, "এ ধরনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও বিভিন্ন মতের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। বাস্তবে সেটি কতটা হয়েছে, তা নিয়েই মানুষের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।"

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অনেক যোগ্য ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। তাঁদের মতে, কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক হলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের সৃষ্টি হতো না।

সুশাসন নিয়ে কাজ করা কয়েকজন পর্যবেক্ষক বলেন, প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে কাজ করা নাগরিক কমিটিগুলোতে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব কমিটির কার্যকারিতা জনগণের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল। কোনো একটি রাজনৈতিক দলের একক প্রভাবের অভিযোগ উঠলে সেই আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খিলক্ষেত থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটি গঠনের সময় স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আপত্তি থাকলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এম তানভীর আহমেদ বলেন, "অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিউনিটি পুলিশিং কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়; এটি কমিউনিটির সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত হওয়ার কথা, এবং সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করতে চাই।"

তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, শুধু অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাসই যথেষ্ট নয়, কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা ও ইতিবাচক ভূমিকার ভিত্তিতে কমিটি দ্রুত পুনর্গঠন করা হলে পুলিশের প্রতি জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ খিলক্ষেত থানা, কমিউনিটি পুলিশিং, ডিএমপি, গুলশান বিভাগ, রাজনৈতিক বিতর্ক, স্থানীয় বিএনপি, জনসম্পৃক্ততা, নাগরিক কমিটি, ঢাকা সংবাদ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘কমিউনিটির কণ্ঠস্বর’ নাকি রাজনৈতিক বলয়?

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে থানা-ভিত্তিক নতুন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের ধারাবাহিকতায় খিলক্ষেত থানার নবগঠিত কমিটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। 

কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের একচেটিয়া প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা। 

তাঁদের দাবি, এতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার মূল উদ্দেশ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে মো. আক্তার হোসেনকে, যিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ফজলুল হক। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে থানা বিএনপির সদস্য সচিব সোহরাব খান স্বপনকে। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন দেওয়ান।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি সদস্যরাও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতা বা সক্রিয় কর্মী। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে আট সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ নিয়েও। স্থানীয়দের ভাষ্য, কার্যনির্বাহী কমিটির ১৬ সদস্য এবং উপদেষ্টা পরিষদের ৮ সদস্যের মধ্যে প্রায় সবাই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ফলে অন্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক সংগঠন কিংবা নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব এখানে কার্যত অনুপস্থিত।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা। এ কারণে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, নারী প্রতিনিধি, তরুণ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের কমিটির গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশেই নির্ভর করে এর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, খিলক্ষেতের নবগঠিত কমিটিতে সেই ভারসাম্যের ন্যূনতম প্রতিফলন ঘটেনি। এতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শতভাগ প্রাধান্য থাকায় কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খিলক্ষেতের একজন প্রবীণ শিক্ষক বলেন, "কমিউনিটি পুলিশিং একটি অরাজনৈতিক নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে যদি একটি রাজনৈতিক বলয়ের আধিপত্য থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।"

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ঘোষিত কমিটি যেভাবে করা হয়েছে, তাতে এটিকে 'বিএনপি কমিউনিটি পুলিশ' বললেও খুব একটা ভুল হবে না। কারণ এখানে সমাজের সব শ্রেণি-পেশা ও মতের মানুষের কোনো প্রতিনিধিত্ব দেখা যাচ্ছে না।"

একই সুর খিলক্ষেতের একজন ব্যবসায়ীর কণ্ঠেও। তিনি বলেন, "এ ধরনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও বিভিন্ন মতের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। বাস্তবে সেটি কতটা হয়েছে, তা নিয়েই মানুষের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।"

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অনেক যোগ্য ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। তাঁদের মতে, কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক হলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের সৃষ্টি হতো না।

সুশাসন নিয়ে কাজ করা কয়েকজন পর্যবেক্ষক বলেন, প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে কাজ করা নাগরিক কমিটিগুলোতে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব কমিটির কার্যকারিতা জনগণের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল। কোনো একটি রাজনৈতিক দলের একক প্রভাবের অভিযোগ উঠলে সেই আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খিলক্ষেত থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটি গঠনের সময় স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আপত্তি থাকলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এম তানভীর আহমেদ বলেন, "অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিউনিটি পুলিশিং কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়; এটি কমিউনিটির সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত হওয়ার কথা, এবং সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করতে চাই।"

তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, শুধু অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাসই যথেষ্ট নয়, কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা ও ইতিবাচক ভূমিকার ভিত্তিতে কমিটি দ্রুত পুনর্গঠন করা হলে পুলিশের প্রতি জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত