তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীদের সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরের বিরোধ তুঙ্গে উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একদল বিদ্রোহী বিধায়ক কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত তৃণমূলের প্রধান দলীয় কার্যালয় ‘দখল’ করে নিয়েছেন।
দখলকালে ঋতব্রতের সঙ্গে ছিলেন আখতারুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানী, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার মতো নেতারা। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ দাবি করে কার্যালয়ের বাইরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার সরিয়ে সেখানে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি ঘোষণা করে নতুন ব্যানার লাগিয়েছে। এসময় সেখানে উপস্থিত মমতাপন্থি নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ভবন ছেড়ে চলে যান।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে মমতাপন্থি নেতা কুনাল ঘোষ উপস্থিত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কুনাল ঘোষ অভিযোগ করেন, সরকার ও পুলিশের মদতে ঋতব্রত শিবির বিজেপির ‘বি-টিম’ হিসেবে এই দখলের রাজনীতি করছে। এদিকে ঋতব্রত শিবিরের নেতা আখতারুজ্জামান দাবি করেন, বাড়ির মালিকের সঙ্গে আলোচনা করেই তারা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।
৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই দলে ভাঙন শুরু হয়। গত ২১ জুন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়েই আলাদা জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করে বিদ্রোহী শিবির। ভবনের মালিক মন্টু সাহার সঙ্গে বিদ্রোহীদের যোগাযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীদের সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরের বিরোধ তুঙ্গে উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একদল বিদ্রোহী বিধায়ক কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত তৃণমূলের প্রধান দলীয় কার্যালয় ‘দখল’ করে নিয়েছেন।
দখলকালে ঋতব্রতের সঙ্গে ছিলেন আখতারুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানী, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার মতো নেতারা। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ দাবি করে কার্যালয়ের বাইরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার সরিয়ে সেখানে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি ঘোষণা করে নতুন ব্যানার লাগিয়েছে। এসময় সেখানে উপস্থিত মমতাপন্থি নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ভবন ছেড়ে চলে যান।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে মমতাপন্থি নেতা কুনাল ঘোষ উপস্থিত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কুনাল ঘোষ অভিযোগ করেন, সরকার ও পুলিশের মদতে ঋতব্রত শিবির বিজেপির ‘বি-টিম’ হিসেবে এই দখলের রাজনীতি করছে। এদিকে ঋতব্রত শিবিরের নেতা আখতারুজ্জামান দাবি করেন, বাড়ির মালিকের সঙ্গে আলোচনা করেই তারা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।
৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই দলে ভাঙন শুরু হয়। গত ২১ জুন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়েই আলাদা জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করে বিদ্রোহী শিবির। ভবনের মালিক মন্টু সাহার সঙ্গে বিদ্রোহীদের যোগাযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন