রাজধানীর আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. সুমন (২৫) এবং কথিত হুকুমদাতা মো. শহীদ (৫৯)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
র্যাব জানায়, গত ২৯ জুন ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতা সাদ্দাম হোসেন ও আবুল বাশার বাদশার সঙ্গে রিপন ও পারভেজ গ্রুপের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ১ জুলাই সন্ধ্যায় বিরোধ মীমাংসায় সালিশি বৈঠক ডাকা হলেও কোনো সমাধান আসেনি। বৈঠক শেষে রাত ৮টার দিকে সাদ্দাম হোসেন ও আবুল বাশার বাদশা ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত বাশারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর থেকে র্যাব-২ ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। গত ৩ জুলাই প্রযুক্তি সহায়তায় জামালপুর সদর থেকে প্রধান অভিযুক্ত সুমন এবং ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে হুকুমদাতা শহীদকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-১৪-এর সহায়তায় যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সুমনের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক ও দণ্ডবিধির অধীনে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. সুমন (২৫) এবং কথিত হুকুমদাতা মো. শহীদ (৫৯)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
র্যাব জানায়, গত ২৯ জুন ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতা সাদ্দাম হোসেন ও আবুল বাশার বাদশার সঙ্গে রিপন ও পারভেজ গ্রুপের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ১ জুলাই সন্ধ্যায় বিরোধ মীমাংসায় সালিশি বৈঠক ডাকা হলেও কোনো সমাধান আসেনি। বৈঠক শেষে রাত ৮টার দিকে সাদ্দাম হোসেন ও আবুল বাশার বাদশা ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত বাশারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর থেকে র্যাব-২ ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। গত ৩ জুলাই প্রযুক্তি সহায়তায় জামালপুর সদর থেকে প্রধান অভিযুক্ত সুমন এবং ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে হুকুমদাতা শহীদকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-১৪-এর সহায়তায় যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সুমনের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক ও দণ্ডবিধির অধীনে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন