দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুরক্ষা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে দেশটির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে একটি জরুরি ও ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী প্রিটোরিয়ায় আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন খাঁউটেং (Gauteng) প্রভিন্সিয়াল পুলিশ কমিশনার, হক্স (Hawks)-এর প্রধান, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান, জোহানেসবার্গ ব্রাঞ্চের পুলিশ কমিশনার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ডেপুটি মিনিস্টার ইব্রাহিম গানিফ হ্যান্ড্রিক্স। অন্যদিকে বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশ মুসলিম সোসাইটি অব সাউথ আফ্রিকার সভাপতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন মিয়া, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মো. মমিনুল হক, মোহাম্মদ রেজাউল করিম ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়। আলোচনার প্রধান ক্ষেত্রসমূহ ছিল:
বাংলাদেশিদের ওপর সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি।
ব্যবসায়িক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি ও ডাকাতি রোধ।
জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে একটি ‘হটলাইন/কো-অর্ডিনেশন ডেস্ক’ চালুর প্রস্তাব।
জোহানেসবার্গ ও খাঁউটেংয়ের পুলিশ কমিশনাররা দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা দৃঢ়তার সাথে আশ্বস্ত করেন যে, বৈধভাবে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। প্রবাসীদের সুরক্ষায় খাঁউটেং প্রদেশসহ জোহানেসবার্গের বিভিন্ন জোনে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
কমিউনিটি নেতারা সকল প্রবাসীকে স্থানীয় আইন কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়। বৈঠক শেষে মোহাম্মদ রেজাউল করিম ফারুকের পাঠ করা একটি স্মারকলিপি প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের সাথে এই সমন্বিত আলোচনার ফলে খাঁউটেং প্রদেশসহ জোহানেসবার্গে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুরক্ষা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে দেশটির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে একটি জরুরি ও ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী প্রিটোরিয়ায় আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন খাঁউটেং (Gauteng) প্রভিন্সিয়াল পুলিশ কমিশনার, হক্স (Hawks)-এর প্রধান, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান, জোহানেসবার্গ ব্রাঞ্চের পুলিশ কমিশনার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ডেপুটি মিনিস্টার ইব্রাহিম গানিফ হ্যান্ড্রিক্স। অন্যদিকে বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশ মুসলিম সোসাইটি অব সাউথ আফ্রিকার সভাপতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন মিয়া, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মো. মমিনুল হক, মোহাম্মদ রেজাউল করিম ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়। আলোচনার প্রধান ক্ষেত্রসমূহ ছিল:
বাংলাদেশিদের ওপর সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি।
ব্যবসায়িক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি ও ডাকাতি রোধ।
জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে একটি ‘হটলাইন/কো-অর্ডিনেশন ডেস্ক’ চালুর প্রস্তাব।
জোহানেসবার্গ ও খাঁউটেংয়ের পুলিশ কমিশনাররা দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা দৃঢ়তার সাথে আশ্বস্ত করেন যে, বৈধভাবে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। প্রবাসীদের সুরক্ষায় খাঁউটেং প্রদেশসহ জোহানেসবার্গের বিভিন্ন জোনে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
কমিউনিটি নেতারা সকল প্রবাসীকে স্থানীয় আইন কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়। বৈঠক শেষে মোহাম্মদ রেজাউল করিম ফারুকের পাঠ করা একটি স্মারকলিপি প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের সাথে এই সমন্বিত আলোচনার ফলে খাঁউটেং প্রদেশসহ জোহানেসবার্গে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন