ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে চলছে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হওয়ার পর থেকেই খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে প্রতিশোধের বার্তা দিচ্ছে ইরান।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। শিয়া মতাবলম্বীদের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ‘লাল পতাকা’ উত্তোলনসহ বিভিন্ন স্থানে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ জনতা ‘আমেরিকা ও ইসরায়েলের ধ্বংস হোক’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলছে।
সপ্তাহব্যাপী এই দাফন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানী কঠোর নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান ও স্নাইপার মোতায়েন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রবেশের সময় দর্শনার্থীদের দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে এবং সন্দেহজনক সামগ্রী জব্দ করা হচ্ছে। এছাড়া তেহরানের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং বেসরকারি যানবাহনের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সরকার সমর্থিত সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, খামেনির এই হত্যাকাণ্ড ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের আরও বেশি উজ্জীবিত করেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় যে পরিমাণ জনসমাগম হয়েছিল, এবারও তেমনটি হতে পারে। ভিড় ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।
প্রায় ৩৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর খামেনির মৃত্যু ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা ও প্রতিশোধের দাবির জন্ম দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো নিরাপত্তাজনিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, তবে পুরো এলাকা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে চলছে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হওয়ার পর থেকেই খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে প্রতিশোধের বার্তা দিচ্ছে ইরান।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। শিয়া মতাবলম্বীদের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ‘লাল পতাকা’ উত্তোলনসহ বিভিন্ন স্থানে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ জনতা ‘আমেরিকা ও ইসরায়েলের ধ্বংস হোক’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলছে।
সপ্তাহব্যাপী এই দাফন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানী কঠোর নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান ও স্নাইপার মোতায়েন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রবেশের সময় দর্শনার্থীদের দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে এবং সন্দেহজনক সামগ্রী জব্দ করা হচ্ছে। এছাড়া তেহরানের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং বেসরকারি যানবাহনের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সরকার সমর্থিত সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, খামেনির এই হত্যাকাণ্ড ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের আরও বেশি উজ্জীবিত করেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় যে পরিমাণ জনসমাগম হয়েছিল, এবারও তেমনটি হতে পারে। ভিড় ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।
প্রায় ৩৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর খামেনির মৃত্যু ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা ও প্রতিশোধের দাবির জন্ম দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো নিরাপত্তাজনিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, তবে পুরো এলাকা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন