কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিপুল বিনিয়োগ সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নিয়ে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ এক সভায় তিনি কর্মীদের জানান, এআই এজেন্ট তৈরির কাজ প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না।
জুকারবার্গ জানান, এআই এজেন্ট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মেটা কিছুটা পিছিয়ে আছে। ফলে নতুন কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ সুবিধা এখনই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এসব বিনিয়োগের ইতিবাচক ফলাফল দেখা শুরু হবে।
চলতি বছরের শুরুতে মেটা প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে এবং প্রায় সাত হাজার কর্মীকে নতুন এআই বিভাগে স্থানান্তর করে। ‘এজেন্ট ট্রান্সফরমেশন’ নামে একটি নতুন দলও গঠন করা হয়। জুকারবার্গ স্বীকার করেন যে, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তটি খুব মসৃণভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল।
মেটা এআইকে ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করছে। এআই অবকাঠামো তৈরির জন্য চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে এ বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে কাজের চাপ ও কর্মপরিবেশ নিয়ে মেটার এআই ইউনিটের অনেক প্রকৌশলী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সব মিলিয়ে, জুকারবার্গের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, এআই প্রযুক্তিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে মেটার সামনে আরও চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির আরও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিপুল বিনিয়োগ সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নিয়ে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ এক সভায় তিনি কর্মীদের জানান, এআই এজেন্ট তৈরির কাজ প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না।
জুকারবার্গ জানান, এআই এজেন্ট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মেটা কিছুটা পিছিয়ে আছে। ফলে নতুন কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ সুবিধা এখনই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এসব বিনিয়োগের ইতিবাচক ফলাফল দেখা শুরু হবে।
চলতি বছরের শুরুতে মেটা প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে এবং প্রায় সাত হাজার কর্মীকে নতুন এআই বিভাগে স্থানান্তর করে। ‘এজেন্ট ট্রান্সফরমেশন’ নামে একটি নতুন দলও গঠন করা হয়। জুকারবার্গ স্বীকার করেন যে, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তটি খুব মসৃণভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল।
মেটা এআইকে ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করছে। এআই অবকাঠামো তৈরির জন্য চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে এ বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে কাজের চাপ ও কর্মপরিবেশ নিয়ে মেটার এআই ইউনিটের অনেক প্রকৌশলী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সব মিলিয়ে, জুকারবার্গের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, এআই প্রযুক্তিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে মেটার সামনে আরও চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির আরও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন