যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন এবং বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনার জন্য নতুন দফার বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১১ জুলাই পাকিস্তানের মাটিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আসন্ন বৈঠকে প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে: ১. ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। ২. ইরানের জব্দকৃত সম্পদ। ৩. ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি।
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ইরান তাদের প্রতিনিধি দলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। গত ১৮ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলের বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসানে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। এরপর ২২ জুন সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন এবং সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। পক্ষগুলো আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপের জন্য পাকিস্তান আয়োজক দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।
এই আলোচনা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতা নিরসনে কতটা ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে, সেদিকেই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন এবং বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনার জন্য নতুন দফার বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১১ জুলাই পাকিস্তানের মাটিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আসন্ন বৈঠকে প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে: ১. ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। ২. ইরানের জব্দকৃত সম্পদ। ৩. ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি।
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ইরান তাদের প্রতিনিধি দলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। গত ১৮ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলের বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসানে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। এরপর ২২ জুন সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন এবং সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। পক্ষগুলো আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপের জন্য পাকিস্তান আয়োজক দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।
এই আলোচনা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতা নিরসনে কতটা ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে, সেদিকেই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর।

আপনার মতামত লিখুন