রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে (আইভ্যাক) আবেদনকারীদের দীর্ঘ সারি ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভিসা আবেদনের ‘স্লট’ পাওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে স্লট পেতে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন অনেক আবেদনকারী।
রোববার (৫ জুলাই) ভিসা কেন্দ্রে সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শত শত আবেদনকারী লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। আবেদনকারীদের অভিযোগ, ভিসা প্রক্রিয়ায় এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনলাইনে স্লট পাওয়া। বাংলামোটরের বাসিন্দা রবিন মিয়া জানান, সরকারি ভিসা ফি ১৫৩০ টাকা হলেও, ডাবল এন্ট্রি স্লট পেতে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, “আগে অনলাইনে আবেদন করে পরদিনই কাগজপত্র জমা দেওয়া যেত। এখন স্লটের জটিলতার কারণে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”
ময়মনসিংহ থেকে আসা মোহাম্মদ আরাফাত রহমান জানান, এবারের মতো ভিসা প্রক্রিয়া আগে কখনো এতটা ঝামেলার মনে হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, যা বয়স্ক ও অসুস্থ আবেদনকারীদের জন্য কষ্টকর। চোখের চিকিৎসার জন্য আসা গোপালগঞ্জের জয়ন্তী হালদারকেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
ভিসাকেন্দ্রের নিরাপত্তা ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ ভিড় কিছুটা বেশি। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।
আবেদনকারীদের দাবি, স্লট ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা হোক এবং প্রয়োজনে ভিসা ফি কিছুটা বাড়িয়ে হলেও বর্তমানের এই দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তি নিরসন করা হোক।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে (আইভ্যাক) আবেদনকারীদের দীর্ঘ সারি ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভিসা আবেদনের ‘স্লট’ পাওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে স্লট পেতে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন অনেক আবেদনকারী।
রোববার (৫ জুলাই) ভিসা কেন্দ্রে সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শত শত আবেদনকারী লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। আবেদনকারীদের অভিযোগ, ভিসা প্রক্রিয়ায় এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনলাইনে স্লট পাওয়া। বাংলামোটরের বাসিন্দা রবিন মিয়া জানান, সরকারি ভিসা ফি ১৫৩০ টাকা হলেও, ডাবল এন্ট্রি স্লট পেতে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, “আগে অনলাইনে আবেদন করে পরদিনই কাগজপত্র জমা দেওয়া যেত। এখন স্লটের জটিলতার কারণে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”
ময়মনসিংহ থেকে আসা মোহাম্মদ আরাফাত রহমান জানান, এবারের মতো ভিসা প্রক্রিয়া আগে কখনো এতটা ঝামেলার মনে হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, যা বয়স্ক ও অসুস্থ আবেদনকারীদের জন্য কষ্টকর। চোখের চিকিৎসার জন্য আসা গোপালগঞ্জের জয়ন্তী হালদারকেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
ভিসাকেন্দ্রের নিরাপত্তা ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ ভিড় কিছুটা বেশি। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।
আবেদনকারীদের দাবি, স্লট ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা হোক এবং প্রয়োজনে ভিসা ফি কিছুটা বাড়িয়ে হলেও বর্তমানের এই দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তি নিরসন করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন