রাজধানীর কচুক্ষেত মোড়ে এক রিকশাচালককে দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে আহত করার পর উল্লাস করে মিষ্টি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল যুবকের বিরুদ্ধে।
গত ৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর নির্যাতনকারীদের ‘উৎসব’ করার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কচুক্ষেত মোড়ে অবস্থিত ‘ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের’ সামনে একজন রিকশাচালককে ঘিরে ধরে অতর্কিতে হামলা চালায় একদল যুবক। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শারীরিক দুর্বলতাসম্পন্ন ওই রিকশাচালককে চরমভাবে মারধর করা হচ্ছে। নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত পর্যায় দেখা যায় যখন নির্যাতনের পরপরই ওই হামলাকারীরা দোকানের ভেতরে ঢুকে মিষ্টি খেয়ে ঘটনার ‘উদযাপন’ করে।
ভিডিওতে উপস্থিত হামলাকারীদের মধ্যে লাল শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তি এবং হালকা ধূসর (Light Grey) রঙের টি-শার্ট পরা এক যুবককে মূল নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে প্রখ্যাত শিক্ষক প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একজন রিকশাচালক পরিস্থিতির শিকার হয়ে রুক্ষ হতে পারেন, কিন্তু তাই বলে উচ্চশিক্ষিত ও ‘ভদ্রবেশী’ দাবি করা কিছু মানুষ দলবেঁধে এভাবে একজন খেটে খাওয়া মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে—এটি অমানবিক ও পৈশাচিক। বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এমন বর্বরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।"
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রতি জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তের সুবিধার্থে নিচের উৎসগুলো বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে:
ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং আশপাশের ভবনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ড সংগ্রহ।
ঘটনার সময় ওই মোড়ে দায়িত্বরত মিলিটারি পুলিশ (MP) সদস্য এবং স্থানীয় দোকানদারদের সাক্ষ্য গ্রহণ।
ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রকাশ্য দিবালোকে বা ব্যস্ততম এলাকায় এমন হিংস্রতা দেখানোর সাহস পায় কীভাবে? এলাকাবাসী অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর কচুক্ষেত মোড়ে এক রিকশাচালককে দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে আহত করার পর উল্লাস করে মিষ্টি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল যুবকের বিরুদ্ধে।
গত ৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর নির্যাতনকারীদের ‘উৎসব’ করার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কচুক্ষেত মোড়ে অবস্থিত ‘ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের’ সামনে একজন রিকশাচালককে ঘিরে ধরে অতর্কিতে হামলা চালায় একদল যুবক। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শারীরিক দুর্বলতাসম্পন্ন ওই রিকশাচালককে চরমভাবে মারধর করা হচ্ছে। নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত পর্যায় দেখা যায় যখন নির্যাতনের পরপরই ওই হামলাকারীরা দোকানের ভেতরে ঢুকে মিষ্টি খেয়ে ঘটনার ‘উদযাপন’ করে।
ভিডিওতে উপস্থিত হামলাকারীদের মধ্যে লাল শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তি এবং হালকা ধূসর (Light Grey) রঙের টি-শার্ট পরা এক যুবককে মূল নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে প্রখ্যাত শিক্ষক প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একজন রিকশাচালক পরিস্থিতির শিকার হয়ে রুক্ষ হতে পারেন, কিন্তু তাই বলে উচ্চশিক্ষিত ও ‘ভদ্রবেশী’ দাবি করা কিছু মানুষ দলবেঁধে এভাবে একজন খেটে খাওয়া মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে—এটি অমানবিক ও পৈশাচিক। বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এমন বর্বরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।"
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রতি জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তের সুবিধার্থে নিচের উৎসগুলো বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে:
ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং আশপাশের ভবনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ড সংগ্রহ।
ঘটনার সময় ওই মোড়ে দায়িত্বরত মিলিটারি পুলিশ (MP) সদস্য এবং স্থানীয় দোকানদারদের সাক্ষ্য গ্রহণ।
ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রকাশ্য দিবালোকে বা ব্যস্ততম এলাকায় এমন হিংস্রতা দেখানোর সাহস পায় কীভাবে? এলাকাবাসী অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন