প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়াকে নিজেদের তৈরি উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’ ও ‘ব্রহ্মোস’ সরবরাহ করবে ভারত। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাকার্তা সফরকালে এ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, সারফেস টু এয়ার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’ সরাসরি আমদানি করবে ইন্দোনেশিয়া।
২০২৫ সালে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’ এই ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছিল।
ইন্দোনেশিয়া নিজেদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য দেশীয়ভাবে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করবে। এক্ষেত্রে ভারত প্রয়োজনীয় ব্যাটারি, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে।
প্রতিরক্ষার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শিল্প ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর কাছে ইন্দোনেশিয়ার কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ‘সাবাং’ বন্দরের উন্নয়নে ভারত বিনিয়োগ করবে। ভারতের নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের প্রকল্প থেকে এই বন্দরের দূরত্ব মাত্র ১০০ মাইল।
ইন্দোনেশিয়ার ইস্পাত শিল্প, নিকেল ও দুর্লভ খনিজ উপাদানের খাতে ভারত বিনিয়োগ করবে। এছাড়া দেশটিতে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) তৈরিতেও ভারতীয় প্রযুক্তি ও পরামর্শ সহায়তা আসবে।
থ্রি নেশন ডিপ্লোম্যাটিক ভিজিট’-এর অংশ হিসেবে ৬ জুলাই জাকার্তা পৌঁছান নরেন্দ্র মোদি। ২০১৮ সালে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে ‘বিস্তৃত কৌশলগত’ সম্পর্কে উন্নীত করে। সেই চুক্তির পর মোদির এটিই প্রথম ইন্দোনেশিয়া সফর। ৮ জুলাই ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারতের এই প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামোগত চুক্তি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়াকে নিজেদের তৈরি উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’ ও ‘ব্রহ্মোস’ সরবরাহ করবে ভারত। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাকার্তা সফরকালে এ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, সারফেস টু এয়ার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’ সরাসরি আমদানি করবে ইন্দোনেশিয়া।
২০২৫ সালে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’ এই ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছিল।
ইন্দোনেশিয়া নিজেদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য দেশীয়ভাবে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করবে। এক্ষেত্রে ভারত প্রয়োজনীয় ব্যাটারি, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে।
প্রতিরক্ষার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শিল্প ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর কাছে ইন্দোনেশিয়ার কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ‘সাবাং’ বন্দরের উন্নয়নে ভারত বিনিয়োগ করবে। ভারতের নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের প্রকল্প থেকে এই বন্দরের দূরত্ব মাত্র ১০০ মাইল।
ইন্দোনেশিয়ার ইস্পাত শিল্প, নিকেল ও দুর্লভ খনিজ উপাদানের খাতে ভারত বিনিয়োগ করবে। এছাড়া দেশটিতে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) তৈরিতেও ভারতীয় প্রযুক্তি ও পরামর্শ সহায়তা আসবে।
থ্রি নেশন ডিপ্লোম্যাটিক ভিজিট’-এর অংশ হিসেবে ৬ জুলাই জাকার্তা পৌঁছান নরেন্দ্র মোদি। ২০১৮ সালে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে ‘বিস্তৃত কৌশলগত’ সম্পর্কে উন্নীত করে। সেই চুক্তির পর মোদির এটিই প্রথম ইন্দোনেশিয়া সফর। ৮ জুলাই ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারতের এই প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামোগত চুক্তি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

আপনার মতামত লিখুন