চরাঞ্চলে ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্য বন্ধ ও খাস জমি উদ্ধারে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে, পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে স্পিকার ও ভূমিমন্ত্রী দ্রুত ওই এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়টি উত্থাপন করেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম। তিনি জানান, দেশে প্রায় ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ একর খাস জমি থাকলেও তার বড় একটি অংশ প্রভাবশালী মহলের দখলে। বিশেষ করে গত ১৬ বছরে চরফ্যাশন ও মনপুরায় নদীভাঙা অসহায় মানুষদের জমি রাজনৈতিক প্রভাব ও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দখল করে নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রকৃত ভূমিহীনদের জন্য ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির দাবি জানান।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামকে যুবসমাজের ‘প্রতিবাদী আইকন’ আখ্যা দিয়ে ভূমিমন্ত্রী তার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘জোর যার মুল্লুক তার’—এই নীতি আর চলতে দেওয়া হবে না। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের বিধিমালার কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে সারা দেশে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। তিনি ঘোষণা দেন, চরফ্যাশন ও মনপুরা সফরের মাধ্যমে স্থানীয় সব অনিয়ম দূর করে স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় খাস জমি উদ্ধারে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে ভোলা-৩ আসনে ২০ হাজার ভূমিহীন কৃষককে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।
সংসদ সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ ধরনের কার্যক্রম পুনরায় গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে স্পিকার জানান, সুবিধামতো সময়ে ভূমিমন্ত্রীর ভোলা সফরে তিনিও যোগ দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
চরাঞ্চলে ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্য বন্ধ ও খাস জমি উদ্ধারে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে, পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে স্পিকার ও ভূমিমন্ত্রী দ্রুত ওই এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়টি উত্থাপন করেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম। তিনি জানান, দেশে প্রায় ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ একর খাস জমি থাকলেও তার বড় একটি অংশ প্রভাবশালী মহলের দখলে। বিশেষ করে গত ১৬ বছরে চরফ্যাশন ও মনপুরায় নদীভাঙা অসহায় মানুষদের জমি রাজনৈতিক প্রভাব ও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দখল করে নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রকৃত ভূমিহীনদের জন্য ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির দাবি জানান।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামকে যুবসমাজের ‘প্রতিবাদী আইকন’ আখ্যা দিয়ে ভূমিমন্ত্রী তার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘জোর যার মুল্লুক তার’—এই নীতি আর চলতে দেওয়া হবে না। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের বিধিমালার কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে সারা দেশে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। তিনি ঘোষণা দেন, চরফ্যাশন ও মনপুরা সফরের মাধ্যমে স্থানীয় সব অনিয়ম দূর করে স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় খাস জমি উদ্ধারে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে ভোলা-৩ আসনে ২০ হাজার ভূমিহীন কৃষককে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।
সংসদ সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ ধরনের কার্যক্রম পুনরায় গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে স্পিকার জানান, সুবিধামতো সময়ে ভূমিমন্ত্রীর ভোলা সফরে তিনিও যোগ দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

আপনার মতামত লিখুন