ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নজিরবিহীন বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরানের অন্তত ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে এই আঘাত হানা হয়েছে।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছে—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন হামলায় যেসকল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো।
কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক: সামরিক যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্রগুলো। উপকূলীয় রাডার: পর্যবেক্ষণ ও নজরদারির রাডার ব্যবস্থা। জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। আইআরজিসি'র নৌযান: হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের ৬০টিরও বেশি ছোট নৌকায় আঘাত হানা হয়েছে।
প্রেস টিভি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপ ও খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পুরো হরমুজ প্রণালি অঞ্চলজুড়ে বর্তমানে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এই হামলাকে ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ‘উপযুক্ত জবাব’ হিসেবে অভিহিত করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধ্বংস করা।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও শেষ বিদায় প্রক্রিয়ার এমন সংবেদনশীল সময়ে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। ইরান এখন পর্যন্ত এসব জাহাজে হামলার অভিযোগ সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
খামেনির মতো ব্যক্তিত্বের শেষ বিদায়ের মুহূর্তে এই সামরিক হামলা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নজিরবিহীন বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরানের অন্তত ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে এই আঘাত হানা হয়েছে।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছে—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন হামলায় যেসকল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো।
কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক: সামরিক যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্রগুলো। উপকূলীয় রাডার: পর্যবেক্ষণ ও নজরদারির রাডার ব্যবস্থা। জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। আইআরজিসি'র নৌযান: হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের ৬০টিরও বেশি ছোট নৌকায় আঘাত হানা হয়েছে।
প্রেস টিভি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপ ও খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পুরো হরমুজ প্রণালি অঞ্চলজুড়ে বর্তমানে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এই হামলাকে ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ‘উপযুক্ত জবাব’ হিসেবে অভিহিত করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধ্বংস করা।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও শেষ বিদায় প্রক্রিয়ার এমন সংবেদনশীল সময়ে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। ইরান এখন পর্যন্ত এসব জাহাজে হামলার অভিযোগ সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
খামেনির মতো ব্যক্তিত্বের শেষ বিদায়ের মুহূর্তে এই সামরিক হামলা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন