ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে ফের বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। বুধবার মধ্যরাতে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের নৌবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলায় দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর ‘বন্দর আব্বাস’সহ কোনারক ও চাবাহার বন্দর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার ফলে চাবাহার বন্দর এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানশাহর বিমানবন্দরে হামলায় এক ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসি হামলার পর থেকে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার রাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। এর পরপরই আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাতিল এবং কূটনৈতিক আলোচনা বন্ধের ঘোষণা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সেন্টকোম জানিয়েছে, “হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতা হ্রাসে এই হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে অন্যায্য হামলার জন্য ইরানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন।”
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবারের হামলার মাত্রা মঙ্গলবারের তুলনায় আরও ভয়াবহ ছিল। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা। ইরান পুনরায় আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হবে।”
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে ফের বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। বুধবার মধ্যরাতে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের নৌবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলায় দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর ‘বন্দর আব্বাস’সহ কোনারক ও চাবাহার বন্দর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার ফলে চাবাহার বন্দর এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানশাহর বিমানবন্দরে হামলায় এক ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসি হামলার পর থেকে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার রাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। এর পরপরই আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাতিল এবং কূটনৈতিক আলোচনা বন্ধের ঘোষণা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সেন্টকোম জানিয়েছে, “হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতা হ্রাসে এই হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে অন্যায্য হামলার জন্য ইরানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন।”
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবারের হামলার মাত্রা মঙ্গলবারের তুলনায় আরও ভয়াবহ ছিল। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা। ইরান পুনরায় আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হবে।”

আপনার মতামত লিখুন