‘কেয়ারওয়েল এভিয়েশন’ নামের একটি বিমান পরিষেবা সংস্থার সঙ্গে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাংক হিসাবে থাকা ৪৪০ কোটি রুপি ফ্রিজ করেছে ভারতের অর্থনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
মঙ্গলবার কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট-নিউটাউনসহ বিভিন্ন এলাকায় ইডি বিশেষ অভিযান চালায়। ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (পিএমএলএ) অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি। ইডির দাবি, তৃণমূলের ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। এই অর্থ ‘কেয়ারওয়েল এভিয়েশন’ ও এর সহযোগী বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, তৃণমূলের দলীয় তহবিল থেকে পাওয়া এই ১৬০ কোটি রুপি দিয়ে সংস্থাটি একটি বিমান ও একটি অগুস্টা হেলিকপ্টার কেনে। পরবর্তীতে সেই একই হেলিকপ্টার ও বিমান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের ভাড়ায় ব্যবহার করানো হতো। দলীয় তহবিলের টাকা নয়ছয় করার মাধ্যমে বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটানো হয়েছে বলে ইডির ধারণা।
এই পদক্ষেপকে ‘বেআইনি’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দলটি জানিয়েছে, তাদের সব তহবিল স্বচ্ছভাবে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগকে জানানো হয়েছে।
দলটি বলছে, নির্বাচনী বন্ডসহ সব আর্থিক তথ্য আইনসম্মতভাবে জমা দেওয়া আছে। তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা বিজেপির রাজনীতির বৈশিষ্ট্য এবং এটি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
‘কেয়ারওয়েল এভিয়েশন’ নামের একটি বিমান পরিষেবা সংস্থার সঙ্গে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাংক হিসাবে থাকা ৪৪০ কোটি রুপি ফ্রিজ করেছে ভারতের অর্থনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
মঙ্গলবার কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট-নিউটাউনসহ বিভিন্ন এলাকায় ইডি বিশেষ অভিযান চালায়। ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (পিএমএলএ) অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি। ইডির দাবি, তৃণমূলের ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। এই অর্থ ‘কেয়ারওয়েল এভিয়েশন’ ও এর সহযোগী বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, তৃণমূলের দলীয় তহবিল থেকে পাওয়া এই ১৬০ কোটি রুপি দিয়ে সংস্থাটি একটি বিমান ও একটি অগুস্টা হেলিকপ্টার কেনে। পরবর্তীতে সেই একই হেলিকপ্টার ও বিমান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের ভাড়ায় ব্যবহার করানো হতো। দলীয় তহবিলের টাকা নয়ছয় করার মাধ্যমে বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটানো হয়েছে বলে ইডির ধারণা।
এই পদক্ষেপকে ‘বেআইনি’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দলটি জানিয়েছে, তাদের সব তহবিল স্বচ্ছভাবে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগকে জানানো হয়েছে।
দলটি বলছে, নির্বাচনী বন্ডসহ সব আর্থিক তথ্য আইনসম্মতভাবে জমা দেওয়া আছে। তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা বিজেপির রাজনীতির বৈশিষ্ট্য এবং এটি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।

আপনার মতামত লিখুন