রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। তাকে তার জন্মস্থান মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে দাফন করা হবে।
ইরাকের কারবালা থেকে খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনার পর জানাজার জন্য তা ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। মাশহাদ শহরটি শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এবং এখানে শিয়াদের অষ্টম ইমাম ইমাম রেজার মাজার অবস্থিত। ধর্মীয় নেতা হিসেবে খামেনিকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতেই তাকে এই পবিত্র স্থানে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, খামেনি ১৯৩৯ সালে মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। এর আগে ২০২৪ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকেও একই মাজার কমপ্লেক্সে সমাহিত করা হয়েছিল।
দীর্ঘ সময় ইরানের সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি ইরানের রাজনীতি ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশটিতে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। খামেনির ছেলে ও বর্তমানে ইরানের সুপ্রিম লিডারের দায়িত্বে থাকা মোজতবার জন্মও এই মাশহাদ শহরেই হয়েছিল।
আজকের দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক অনুসারী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। তাকে তার জন্মস্থান মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে দাফন করা হবে।
ইরাকের কারবালা থেকে খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনার পর জানাজার জন্য তা ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। মাশহাদ শহরটি শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এবং এখানে শিয়াদের অষ্টম ইমাম ইমাম রেজার মাজার অবস্থিত। ধর্মীয় নেতা হিসেবে খামেনিকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতেই তাকে এই পবিত্র স্থানে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, খামেনি ১৯৩৯ সালে মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। এর আগে ২০২৪ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকেও একই মাজার কমপ্লেক্সে সমাহিত করা হয়েছিল।
দীর্ঘ সময় ইরানের সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি ইরানের রাজনীতি ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশটিতে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। খামেনির ছেলে ও বর্তমানে ইরানের সুপ্রিম লিডারের দায়িত্বে থাকা মোজতবার জন্মও এই মাশহাদ শহরেই হয়েছিল।
আজকের দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক অনুসারী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন