সাবেক স্পিকার, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনে এক সফল ও বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি তার কর্মময় জীবনে সততা, মানবিকতা এবং দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।
রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের ওপর আনীত শোকপ্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং দেশের আইন অঙ্গনের একজন তারকা আইনজীবী।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের মানবিক ও পরোপকারী সত্তার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দলীয় নেতাকর্মীরা যখন আইনি জটিলতায় পড়তেন, তখন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনই ছিলেন আমাদের একমাত্র ভরসা। তিনি শুধু আইনি পরামর্শই দিতেন না, আদালতে দাঁড়িয়ে নির্যাতিত নেতাদের পক্ষে লড়াই করতেন। বহুবার তাকে পারিশ্রমিক দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি সবসময় বলতেন, এটি তার নৈতিক দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের জন্য কাজ করার সুযোগ।"
শোক আলোচনায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদীয় কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত। আইন অঙ্গনে তিনি অনেকের শিক্ষক হিসেবেও শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তার কর্মপদ্ধতি ও ব্যক্তিত্ব আমাদের জন্য অনুসরণীয়। মানুষ হিসেবে তার ভুলত্রুটি থাকতে পারে, মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাকে ক্ষমা করে জানাতুল ফেরদৌস দান করেন।
পরিশেষে তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ হওয়া উচিত। কারণ, মৃত্যুর পর মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত সফলতা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
সাবেক স্পিকার, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনে এক সফল ও বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি তার কর্মময় জীবনে সততা, মানবিকতা এবং দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।
রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের ওপর আনীত শোকপ্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং দেশের আইন অঙ্গনের একজন তারকা আইনজীবী।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের মানবিক ও পরোপকারী সত্তার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দলীয় নেতাকর্মীরা যখন আইনি জটিলতায় পড়তেন, তখন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনই ছিলেন আমাদের একমাত্র ভরসা। তিনি শুধু আইনি পরামর্শই দিতেন না, আদালতে দাঁড়িয়ে নির্যাতিত নেতাদের পক্ষে লড়াই করতেন। বহুবার তাকে পারিশ্রমিক দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি সবসময় বলতেন, এটি তার নৈতিক দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের জন্য কাজ করার সুযোগ।"
শোক আলোচনায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদীয় কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত। আইন অঙ্গনে তিনি অনেকের শিক্ষক হিসেবেও শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তার কর্মপদ্ধতি ও ব্যক্তিত্ব আমাদের জন্য অনুসরণীয়। মানুষ হিসেবে তার ভুলত্রুটি থাকতে পারে, মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাকে ক্ষমা করে জানাতুল ফেরদৌস দান করেন।
পরিশেষে তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিনের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ হওয়া উচিত। কারণ, মৃত্যুর পর মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত সফলতা।

আপনার মতামত লিখুন