টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বন্যায় এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুইজন।
রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায় (১৭৬টি)।
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে (২৮ জন)। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন মারা গেছেন।
বন্যায় মোট ৭৯ হাজার ১৮৭টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৬৩টি এবং বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিভাগের ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২ হাজার ৬০০ জন অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম জেলায়।
সরকারিভাবে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার ২৮১ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১ কোটি ২৭ লাখ নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগীয় কার্যালয়।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বন্যায় এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুইজন।
রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায় (১৭৬টি)।
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে (২৮ জন)। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন মারা গেছেন।
বন্যায় মোট ৭৯ হাজার ১৮৭টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৬৩টি এবং বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিভাগের ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২ হাজার ৬০০ জন অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম জেলায়।
সরকারিভাবে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার ২৮১ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১ কোটি ২৭ লাখ নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগীয় কার্যালয়।

আপনার মতামত লিখুন