চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা থাকলেও, মে মাসে রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়ে ৫৮২ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
এ পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ কম।
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির মূল্য ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের চাহিদা কিছুটা কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক সোর্সিংয়ের এই পরিবর্তিত ধারায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চীন। দেশটির রপ্তানি মূল্য ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং ভলিউম ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ভারতের রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। তবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কম্বোডিয়ার পোশাক রপ্তানি ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল জানান, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, “ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, দীর্ঘ লিড টাইম এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কার্যকর সমাধান করা গেলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।”

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা থাকলেও, মে মাসে রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়ে ৫৮২ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
এ পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ কম।
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির মূল্য ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের চাহিদা কিছুটা কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক সোর্সিংয়ের এই পরিবর্তিত ধারায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চীন। দেশটির রপ্তানি মূল্য ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং ভলিউম ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ভারতের রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। তবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কম্বোডিয়ার পোশাক রপ্তানি ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল জানান, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, “ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, দীর্ঘ লিড টাইম এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কার্যকর সমাধান করা গেলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।”

আপনার মতামত লিখুন