প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গাছ লাগানোই শেষ কথা নয়; একটি গাছকে শিশুর মতো পরম যত্নে বড় করে তোলাটাই আসল কাজ।
সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে এক সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা কর্মসূচিগুলোর কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম দুটি প্রধান কাজ করতে চাই—খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ। শহীদ জিয়াউর রহমান এই কর্মসূচিগুলো শুরু করেছিলেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তা এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমরাও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছি।”
বিএনপি সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সেই পথচলা শুরু করলাম। শুধু বরিশাল নয়, সারা বাংলাদেশে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
বৃক্ষরোপণের সময় গাছের চারা পলিথিনসহ রোপণ না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “অনেকে পলিথিনসহ গাছের চারা রোপণ করছেন, এটি করবেন না। পলিথিন খুলে মাটিসহ গাছটি রোপণ করতে হবে, নাহলে গাছটি নষ্ট হয়ে যাবে।”
গাছ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, “চারাগুলো হলো শিশু গাছ। এদের শিশুর মতোই লালন-পালন করতে হবে। গাছগুলো বড় হলে তা আমাদের বুক ভরে শ্বাস নিতে সাহায্য করবে এবং গ্রীষ্মের দাবদাহে শীতল ছায়া দেবে।”
বর্তমানে আবহাওয়ার পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার। শীতকালে আগের মতো শীত নেই, আবার গরমে তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে পড়ছে। আমাদের ২০ কোটি মানুষের দেশে যে পরিমাণ গাছ থাকা প্রয়োজন, তা বর্তমানে নেই। পরিবেশের ভারসাম্য ফেরাতে এবং দেশ ও এলাকাকে সুন্দর করে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।”
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পর এটি তার প্রথম বরিশাল সফর। বৃক্ষরোপণ ছাড়াও তার সফরসূচিতে রয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়। বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী ‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটি উচ্চারণ করে উপস্থিত সবার মাঝে গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি নিজেও চারা রোপণ করেন। পুরো বরিশাল জুড়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গাছ লাগানোই শেষ কথা নয়; একটি গাছকে শিশুর মতো পরম যত্নে বড় করে তোলাটাই আসল কাজ।
সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে এক সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা কর্মসূচিগুলোর কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম দুটি প্রধান কাজ করতে চাই—খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ। শহীদ জিয়াউর রহমান এই কর্মসূচিগুলো শুরু করেছিলেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তা এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমরাও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছি।”
বিএনপি সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সেই পথচলা শুরু করলাম। শুধু বরিশাল নয়, সারা বাংলাদেশে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
বৃক্ষরোপণের সময় গাছের চারা পলিথিনসহ রোপণ না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “অনেকে পলিথিনসহ গাছের চারা রোপণ করছেন, এটি করবেন না। পলিথিন খুলে মাটিসহ গাছটি রোপণ করতে হবে, নাহলে গাছটি নষ্ট হয়ে যাবে।”
গাছ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, “চারাগুলো হলো শিশু গাছ। এদের শিশুর মতোই লালন-পালন করতে হবে। গাছগুলো বড় হলে তা আমাদের বুক ভরে শ্বাস নিতে সাহায্য করবে এবং গ্রীষ্মের দাবদাহে শীতল ছায়া দেবে।”
বর্তমানে আবহাওয়ার পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার। শীতকালে আগের মতো শীত নেই, আবার গরমে তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে পড়ছে। আমাদের ২০ কোটি মানুষের দেশে যে পরিমাণ গাছ থাকা প্রয়োজন, তা বর্তমানে নেই। পরিবেশের ভারসাম্য ফেরাতে এবং দেশ ও এলাকাকে সুন্দর করে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।”
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পর এটি তার প্রথম বরিশাল সফর। বৃক্ষরোপণ ছাড়াও তার সফরসূচিতে রয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়। বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী ‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটি উচ্চারণ করে উপস্থিত সবার মাঝে গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি নিজেও চারা রোপণ করেন। পুরো বরিশাল জুড়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন