জাতীয় সংসদ কোনো ব্যক্তি, দল বা ক্ষমতার প্রদর্শনীর মঞ্চ নয়। এটি একটি জাতির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রণীত প্রতিটি আইন, গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং নির্ধারিত প্রতিটি নীতি দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন, উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের গতিপথ নির্ধারণ করে।
তাই এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুৎসা, বিদ্বেষ, অপমান কিংবা পরস্পরের প্রতি অবিরাম দোষারোপ নয়; স্থান পাক যুক্তি, শালীনতা, তথ্যভিত্তিক বিতর্ক, জবাবদিহি এবং জাতীয় দায়িত্ববোধ। গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য সংঘাতে নয়, গঠনমূলক মতবিনিময় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে।
বিরোধী দলের দায়িত্ব হবে সরকারের ভুল, দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ভয়ে জাতির সামনে তুলে ধরা। আর সরকারের দায়িত্ব হবে সেই সমালোচনাকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ হিসেবে নয়, আত্মসমালোচনা, সংশোধন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।
অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু অতীতের বৈরিতায় বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে বন্দী করে রাখা কোনো জাতির জন্য কল্যাণকর নয়। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যদি জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া যায়, তবে জাতীয় সংসদ সত্যিকার অর্থেই উন্নত, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।
এই প্রত্যাশা দেশের সকল সম্মানিত সংসদ সদস্য এবং প্রজাতন্ত্রের প্রকৃত মালিক—বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদ কোনো ব্যক্তি, দল বা ক্ষমতার প্রদর্শনীর মঞ্চ নয়। এটি একটি জাতির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রণীত প্রতিটি আইন, গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং নির্ধারিত প্রতিটি নীতি দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন, উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের গতিপথ নির্ধারণ করে।
তাই এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুৎসা, বিদ্বেষ, অপমান কিংবা পরস্পরের প্রতি অবিরাম দোষারোপ নয়; স্থান পাক যুক্তি, শালীনতা, তথ্যভিত্তিক বিতর্ক, জবাবদিহি এবং জাতীয় দায়িত্ববোধ। গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য সংঘাতে নয়, গঠনমূলক মতবিনিময় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে।
বিরোধী দলের দায়িত্ব হবে সরকারের ভুল, দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ভয়ে জাতির সামনে তুলে ধরা। আর সরকারের দায়িত্ব হবে সেই সমালোচনাকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ হিসেবে নয়, আত্মসমালোচনা, সংশোধন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।
অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু অতীতের বৈরিতায় বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে বন্দী করে রাখা কোনো জাতির জন্য কল্যাণকর নয়। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যদি জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া যায়, তবে জাতীয় সংসদ সত্যিকার অর্থেই উন্নত, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।
এই প্রত্যাশা দেশের সকল সম্মানিত সংসদ সদস্য এবং প্রজাতন্ত্রের প্রকৃত মালিক—বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।

আপনার মতামত লিখুন