চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মূল কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আগ্রাবাদ চৌমুহনীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে মেয়র আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়সহ ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।
মেয়র বলেন, "গত সাত দিনের রেকর্ড বৃষ্টিতে যেসব এলাকায় পানি জমেছে, আমরা সরেজমিনে তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, স্থানীয় খাল ও নালাগুলোতে বর্জ্য জমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য, পলিথিন ও কার্টন ড্রেনে ফেলায় পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।"
ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে মেয়র বলেন, "নিজেদের বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হবে।"
জলাবদ্ধতা নিরসনে নাসির খাল ও লালমিয়া খালসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এসব খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে নগরবাসীকে ড্রেন বা খালে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মূল কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আগ্রাবাদ চৌমুহনীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে মেয়র আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়সহ ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।
মেয়র বলেন, "গত সাত দিনের রেকর্ড বৃষ্টিতে যেসব এলাকায় পানি জমেছে, আমরা সরেজমিনে তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, স্থানীয় খাল ও নালাগুলোতে বর্জ্য জমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য, পলিথিন ও কার্টন ড্রেনে ফেলায় পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।"
ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে মেয়র বলেন, "নিজেদের বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হবে।"
জলাবদ্ধতা নিরসনে নাসির খাল ও লালমিয়া খালসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এসব খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে নগরবাসীকে ড্রেন বা খালে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন