আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোতে পাট, চামড়াজাত পণ্য, ঔষধ, সিরামিক ও ফলমূলের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আফ্রিকান বাজারে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আফ্রিকা মহাদেশসহ সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে কৃষি খাতে কন্ট্রাক্ট-ফার্মিং এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থাপনা সহজীকরণের প্রস্তাব করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোতে পাট, চামড়াজাত পণ্য, ঔষধ, সিরামিক ও ফলমূলের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আফ্রিকান বাজারে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আফ্রিকা মহাদেশসহ সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে কৃষি খাতে কন্ট্রাক্ট-ফার্মিং এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থাপনা সহজীকরণের প্রস্তাব করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন