ভারতের মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলায় মালিকের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর তার পোষা কুকুরের মৃত্যুর এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মালিকের ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকা কুকুরটি শোক সইতে না পেরেই মারা গেছে বলে জানিয়েছেন মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা।
জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম প্রদীপ জৈন (৬৭)। তিনি দীর্ঘ অসুস্থতার পর ভোপালের এআইআইএমএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত রোববার তার মরদেহ বাড়িতে আনার পর থেকেই তার ১৫ বছর বয়সী পোষা কুকুরটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। পরিবারের সদস্যরা জানান, কুকুরটি মালিকের মরদেহ থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরতে চাইছিল না এবং সারারাত অঝোরে কেঁদেছে।
পরদিন সোমবার সকালে কুকুরটিকে শেষবারের মতো মালিকের কাছে আসার সুযোগ দেওয়া হয়। কুকুরটি প্রদীপের মরদেহের পাশে নীরবে কয়েক মিনিট বসে ছিল। এরপর সে নিজেই ধীর পায়ে অন্য রুমে ফিরে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণত্যাগ করে।
প্রদীপের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৫ বছর ধরে কুকুরটি ছিল প্রদীপের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। প্রদীপের অকাল প্রয়াণ এবং দীর্ঘদিনের বন্ধনের বিচ্ছেদ কুকুরটি মেনে নিতে পারেনি। শোকাতুর পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন, গভীর ভালোবাসার টানেই মালিকের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর প্রাণপাখি উড়ে গেছে পোষা প্রাণীটিরও।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ভারতের মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলায় মালিকের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর তার পোষা কুকুরের মৃত্যুর এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মালিকের ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকা কুকুরটি শোক সইতে না পেরেই মারা গেছে বলে জানিয়েছেন মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা।
জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম প্রদীপ জৈন (৬৭)। তিনি দীর্ঘ অসুস্থতার পর ভোপালের এআইআইএমএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত রোববার তার মরদেহ বাড়িতে আনার পর থেকেই তার ১৫ বছর বয়সী পোষা কুকুরটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। পরিবারের সদস্যরা জানান, কুকুরটি মালিকের মরদেহ থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরতে চাইছিল না এবং সারারাত অঝোরে কেঁদেছে।
পরদিন সোমবার সকালে কুকুরটিকে শেষবারের মতো মালিকের কাছে আসার সুযোগ দেওয়া হয়। কুকুরটি প্রদীপের মরদেহের পাশে নীরবে কয়েক মিনিট বসে ছিল। এরপর সে নিজেই ধীর পায়ে অন্য রুমে ফিরে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণত্যাগ করে।
প্রদীপের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৫ বছর ধরে কুকুরটি ছিল প্রদীপের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। প্রদীপের অকাল প্রয়াণ এবং দীর্ঘদিনের বন্ধনের বিচ্ছেদ কুকুরটি মেনে নিতে পারেনি। শোকাতুর পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন, গভীর ভালোবাসার টানেই মালিকের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর প্রাণপাখি উড়ে গেছে পোষা প্রাণীটিরও।

আপনার মতামত লিখুন