চট্টগ্রামের পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীসহ কয়েকটি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসা।
দুর্যোগকবলিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে গত ১২ ও ১৩ জুলাই (রোববার ও সোমবার) দুই দিনে মোট এক হাজার পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসেন ওদুদীর নেতৃত্বে মাদরাসার একটি প্রতিনিধি দল দুর্গত এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে এসব ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম আল্লামা জাকারিয়া আজহারী, মাওলানা হাফেজ মাসুম, মুফতি মনসুর সিদ্দিক, সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী, আনিসুল হক, মাওলানা নাসির উদ্দিন, মাওলানা ত্বকী ও মাওলানা সুহাইল কাসেমীসহ মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।
ত্রাণ বিতরণকালে মুহতামিম মুফতি একরাম হোসেন ওদুদী বলেন, দুর্যোগের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা আমাদের সাধ্যমতো বন্যার্তদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার ঐতিহ্য শুধু ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশ ও জাতির যেকোনো সংকটে আর্তমানবতার সেবায় প্রতিষ্ঠানটি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে জামিয়া সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে থেকেছে। আজকের এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সেই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে মুফতি ওদুদী বলেন, “যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।” তিনি আর্তমানবতার সেবায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীসহ কয়েকটি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসা।
দুর্যোগকবলিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে গত ১২ ও ১৩ জুলাই (রোববার ও সোমবার) দুই দিনে মোট এক হাজার পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসেন ওদুদীর নেতৃত্বে মাদরাসার একটি প্রতিনিধি দল দুর্গত এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে এসব ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম আল্লামা জাকারিয়া আজহারী, মাওলানা হাফেজ মাসুম, মুফতি মনসুর সিদ্দিক, সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী, আনিসুল হক, মাওলানা নাসির উদ্দিন, মাওলানা ত্বকী ও মাওলানা সুহাইল কাসেমীসহ মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।
ত্রাণ বিতরণকালে মুহতামিম মুফতি একরাম হোসেন ওদুদী বলেন, দুর্যোগের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা আমাদের সাধ্যমতো বন্যার্তদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার ঐতিহ্য শুধু ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশ ও জাতির যেকোনো সংকটে আর্তমানবতার সেবায় প্রতিষ্ঠানটি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে জামিয়া সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে থেকেছে। আজকের এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সেই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে মুফতি ওদুদী বলেন, “যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।” তিনি আর্তমানবতার সেবায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন