দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও তীব্র আকার ধারণ করছে অবৈধ অভিবাসী বিরোধী আন্দোলন। গত জুন মাসে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পর কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিলেও, সাম্প্রতিক সময়ে ‘মার্চ এন্ড মার্চ মুভমেন্ট’ নামক একটি সংগঠনের নেতৃত্বে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে আবারও সরব হয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
বিশেষ করে নাটাল প্রদেশের প্রাচীন শহর এশো-তে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা প্রতি বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয়ভাবে সমাবেশের ঘোষণা দিলেও, বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ ও মিছিল পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশিদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। অধিকাংশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী যেহেতু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসার সাথে যুক্ত, তাই তারা সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনে অনেকেই বাধ্য হয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। একেকটি অঞ্চলে ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি লিডারদের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সক্রিয় ভূমিকা ও আইনি সহায়তা সেলের প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটই এই বিদ্বেষমূলক আন্দোলনের অন্যতম মূল কারণ। তবে দেশটির স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি রক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারকে দ্রুত কার্যকরী আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজতে হবে। নিরাপত্তার খাতিরে প্রবাসীদের স্থানীয় আইন মেনে চলার পাশাপাশি যেকোনো গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও তীব্র আকার ধারণ করছে অবৈধ অভিবাসী বিরোধী আন্দোলন। গত জুন মাসে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পর কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিলেও, সাম্প্রতিক সময়ে ‘মার্চ এন্ড মার্চ মুভমেন্ট’ নামক একটি সংগঠনের নেতৃত্বে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে আবারও সরব হয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
বিশেষ করে নাটাল প্রদেশের প্রাচীন শহর এশো-তে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা প্রতি বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয়ভাবে সমাবেশের ঘোষণা দিলেও, বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ ও মিছিল পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশিদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। অধিকাংশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী যেহেতু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসার সাথে যুক্ত, তাই তারা সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনে অনেকেই বাধ্য হয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। একেকটি অঞ্চলে ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি লিডারদের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সক্রিয় ভূমিকা ও আইনি সহায়তা সেলের প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটই এই বিদ্বেষমূলক আন্দোলনের অন্যতম মূল কারণ। তবে দেশটির স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি রক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারকে দ্রুত কার্যকরী আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজতে হবে। নিরাপত্তার খাতিরে প্রবাসীদের স্থানীয় আইন মেনে চলার পাশাপাশি যেকোনো গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন