টানা নবম দফায় ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২০ জুলাই) মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই হামলায় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, বুশেহর প্রদেশের দাশতি কাউন্টির প্রশাসনিক কেন্দ্র খোরমোজ শহরের একটি এলাকায় মার্কিন হামলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
গত দুই দিনে তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা আরও জোরদার করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনার জেরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের এক মাস আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা প্রতিরোধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-র তথ্যমতে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের মাহশাহর ও ইমাম খোমেনি বন্দর, হরমোজগান প্রদেশের সিরিক ও জাস্ক এবং উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ শহরের কাছে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়া সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্রদেশের কোনারাক ও চাবাহারে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি তোহিদ আসাদি জানান, মার্কিন হামলায় মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূলকে লক্ষ্যবস্তু করা হলেও তাবরিজে হামলা নিশ্চিত হলে এটি হবে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রথম আঘাত।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, লোরেস্তান প্রদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
টানা নবম দফায় ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২০ জুলাই) মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই হামলায় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, বুশেহর প্রদেশের দাশতি কাউন্টির প্রশাসনিক কেন্দ্র খোরমোজ শহরের একটি এলাকায় মার্কিন হামলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
গত দুই দিনে তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা আরও জোরদার করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনার জেরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের এক মাস আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা প্রতিরোধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-র তথ্যমতে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের মাহশাহর ও ইমাম খোমেনি বন্দর, হরমোজগান প্রদেশের সিরিক ও জাস্ক এবং উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ শহরের কাছে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়া সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্রদেশের কোনারাক ও চাবাহারে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি তোহিদ আসাদি জানান, মার্কিন হামলায় মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূলকে লক্ষ্যবস্তু করা হলেও তাবরিজে হামলা নিশ্চিত হলে এটি হবে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রথম আঘাত।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, লোরেস্তান প্রদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।

আপনার মতামত লিখুন