মামলাপূর্বক (প্রি-কেস) বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি করছে এবং আদালতে নতুন মামলা দায়ের উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ইতিবাচক ফল দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভার্চুয়ালি ১০টি জেলায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ বিচারাধীন মামলার চাপ কমাতে 'আইনগত সহায়তা দেওয়া (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর ২১খ ধারা অনুযায়ী নতুন ১০টি জেলায়—বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, ভোলা, নাটোর, যশোর, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, পঞ্চগড় ও টাঙ্গাইল—মামলাপূর্বক বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ৭টি নির্দিষ্ট আইনের অধীনে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
২০টি জেলায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পের তথ্য তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে (ফেব্রুয়ারি-মে) বিভিন্ন ধারায় গড়ে ৬২.০২ শতাংশ মামলা দায়ের কমেছে:
পারিবারিক আদালত: মামলা দায়ের ৫১% হ্রাস পেয়েছে (৩,৫৫৯টি থেকে ১,৭৪৪টিতে)।বণ্টন সংক্রান্ত মামলা: প্রায় ৬৬.৯৭% হ্রাস। যৌতুক নিরোধ আইন: ৬৭.৭১% হ্রাস (৫,৬০৫টি থেকে ১,৮১০টিতে)। অন্যান্য: প্রিম্পশন মামলা ৮৮.২৪%, অকৃষি প্রজাস্বত্ব মামলা ৫৪.৮৪% এবং পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ মামলা ১৮.৬০% কমেছে।
বিচারাধীন আলোচনাযোগ্য মামলাগুলো জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে রেফার করে বিচারপ্রক্রিয়া গতিশীল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এক লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকা কক্সবাজারে আগামী তিন মাসে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; যা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যালোচনা করা হবে।
মধ্যস্থতা কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
প্রকল্পটিতে সহায়তার জন্য জাইকা (JICA), জিআইজেড (GIZ) এবং ইউএনডিপি (UNDP)-কে ধন্যবাদ জানানো হয়।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
মামলাপূর্বক (প্রি-কেস) বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি করছে এবং আদালতে নতুন মামলা দায়ের উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ইতিবাচক ফল দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভার্চুয়ালি ১০টি জেলায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ বিচারাধীন মামলার চাপ কমাতে 'আইনগত সহায়তা দেওয়া (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর ২১খ ধারা অনুযায়ী নতুন ১০টি জেলায়—বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, ভোলা, নাটোর, যশোর, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, পঞ্চগড় ও টাঙ্গাইল—মামলাপূর্বক বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ৭টি নির্দিষ্ট আইনের অধীনে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
২০টি জেলায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পের তথ্য তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে (ফেব্রুয়ারি-মে) বিভিন্ন ধারায় গড়ে ৬২.০২ শতাংশ মামলা দায়ের কমেছে:
পারিবারিক আদালত: মামলা দায়ের ৫১% হ্রাস পেয়েছে (৩,৫৫৯টি থেকে ১,৭৪৪টিতে)।বণ্টন সংক্রান্ত মামলা: প্রায় ৬৬.৯৭% হ্রাস। যৌতুক নিরোধ আইন: ৬৭.৭১% হ্রাস (৫,৬০৫টি থেকে ১,৮১০টিতে)। অন্যান্য: প্রিম্পশন মামলা ৮৮.২৪%, অকৃষি প্রজাস্বত্ব মামলা ৫৪.৮৪% এবং পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ মামলা ১৮.৬০% কমেছে।
বিচারাধীন আলোচনাযোগ্য মামলাগুলো জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে রেফার করে বিচারপ্রক্রিয়া গতিশীল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এক লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকা কক্সবাজারে আগামী তিন মাসে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; যা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যালোচনা করা হবে।
মধ্যস্থতা কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
প্রকল্পটিতে সহায়তার জন্য জাইকা (JICA), জিআইজেড (GIZ) এবং ইউএনডিপি (UNDP)-কে ধন্যবাদ জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন