মধ্যবিত্তের জন্য নিজস্ব ফ্ল্যাট কেনা সহজ করতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ চালু, ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণসহ ৬ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
প্রস্তাবগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে যৌক্তিক দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
রিহ্যাবের প্রধান প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন এবং ড্যাপ ও নির্মাণ বিধিমালা যুগোপযোগী করা। নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য পিপিপি ভিত্তিতে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন। সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোন চালু। ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশে নির্ধারণ। চলতি অর্থবছরে জমির মালিকদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহার। নকশা অনুমোদন এবং জমি-ফ্ল্যাট নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। সরকার স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।
তিনি ঢাকা-কেন্দ্রিকতার বাইরে গিয়ে সারা দেশে পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং কৃষিজমি সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি সরকার বা রাজউক সরাসরি আবাসন ব্যবসা না করে পিপিপি মডেল জোরদারের পক্ষে মত ব্যক্ত করেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
মধ্যবিত্তের জন্য নিজস্ব ফ্ল্যাট কেনা সহজ করতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ চালু, ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণসহ ৬ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
প্রস্তাবগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে যৌক্তিক দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
রিহ্যাবের প্রধান প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন এবং ড্যাপ ও নির্মাণ বিধিমালা যুগোপযোগী করা। নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য পিপিপি ভিত্তিতে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন। সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোন চালু। ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশে নির্ধারণ। চলতি অর্থবছরে জমির মালিকদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহার। নকশা অনুমোদন এবং জমি-ফ্ল্যাট নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। সরকার স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।
তিনি ঢাকা-কেন্দ্রিকতার বাইরে গিয়ে সারা দেশে পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং কৃষিজমি সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি সরকার বা রাজউক সরাসরি আবাসন ব্যবসা না করে পিপিপি মডেল জোরদারের পক্ষে মত ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন