দেশের শীর্ষ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি ভবনে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রবল আভাস পাওয়া যাচ্ছে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। গত দুদিন ধরে বঙ্গভবন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনই ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী মেয়াদের একমাত্র শীর্ষ ব্যক্তি, যিনি এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে লন্ডন সফরকালে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার টেলিফোনে কথা হয়। এই ঘটনার পরপরই তাকে পদত্যাগের একটি পরোক্ষ বার্তা দেওয়া হয় বলে জোর গুঞ্জন ওঠে।
বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই পদত্যাগের নেপথ্যে কেবল ফোনালাপই নয়, বরং বিদ্যমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যুক্ত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাদের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার পরিকল্পনার তথ্য রয়টার্সে প্রকাশের পর সার্বিক পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত ১৭ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জোরদার নির্দেশ দিয়েছেন।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতে পারে। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন কেউ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
দেশের শীর্ষ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি ভবনে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রবল আভাস পাওয়া যাচ্ছে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। গত দুদিন ধরে বঙ্গভবন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনই ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী মেয়াদের একমাত্র শীর্ষ ব্যক্তি, যিনি এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে লন্ডন সফরকালে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার টেলিফোনে কথা হয়। এই ঘটনার পরপরই তাকে পদত্যাগের একটি পরোক্ষ বার্তা দেওয়া হয় বলে জোর গুঞ্জন ওঠে।
বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই পদত্যাগের নেপথ্যে কেবল ফোনালাপই নয়, বরং বিদ্যমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যুক্ত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাদের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার পরিকল্পনার তথ্য রয়টার্সে প্রকাশের পর সার্বিক পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত ১৭ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জোরদার নির্দেশ দিয়েছেন।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতে পারে। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন কেউ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

আপনার মতামত লিখুন