চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার নতুন ফিশারীঘাট এলাকার ভেড়া মার্কেটে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার আসামি মাসুমা পারভীন সীমা ওরফে শিমুকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ সময় তার বসতঘর থেকে ৪০ পিস ইয়াবা, ৫০ পুড়িয়া গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় তার স্বামী ও কথিত মাদক কারবারি ওমর ফারুক ওরফে ‘প্লাস্টিক ফারুক’ পালিয়ে যান।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানা ও চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ি যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের তল্লাশিতে শয়নকক্ষের বালিশের নিচ থেকে মাদক ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সীমা জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার সীমার বিরুদ্ধে মাদক ও মানবপাচারসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। জামিনে বের হয়ে তিনি পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমা ও তার স্বামী প্লাস্টিক ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় খাসজমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মাদকের সাম্রাজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির জানান, গ্রেপ্তার সীমার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামি ‘প্লাস্টিক ফারুক’কে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার নতুন ফিশারীঘাট এলাকার ভেড়া মার্কেটে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার আসামি মাসুমা পারভীন সীমা ওরফে শিমুকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ সময় তার বসতঘর থেকে ৪০ পিস ইয়াবা, ৫০ পুড়িয়া গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় তার স্বামী ও কথিত মাদক কারবারি ওমর ফারুক ওরফে ‘প্লাস্টিক ফারুক’ পালিয়ে যান।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানা ও চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ি যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের তল্লাশিতে শয়নকক্ষের বালিশের নিচ থেকে মাদক ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সীমা জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার সীমার বিরুদ্ধে মাদক ও মানবপাচারসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। জামিনে বের হয়ে তিনি পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমা ও তার স্বামী প্লাস্টিক ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় খাসজমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মাদকের সাম্রাজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির জানান, গ্রেপ্তার সীমার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামি ‘প্লাস্টিক ফারুক’কে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন