আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির পারিবারিক বংশতালিকা অনুসন্ধান করে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পেয়েছেন ইতালির ইতিহাসবিদ ও ব্যাংকার ফিওরেঞ্জো সান্তিনি। তার গবেষণায় উঠে এসেছে, মেসির মাতৃসূত্রের প্রপিতামহ (মায়ের দাদার বাবা) কিছু সময়ের জন্য ব্রাজিলে বসবাস করেছিলেন এবং সেখানেই মেসির নানার বংশগত পদবির উদ্ভব হয়।
মেসির পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি। সান্তিনির গবেষণা অনুযায়ী, ইতালিতে ‘কুচ্চিত্তিনি’ নামে কোনো পদবি ছিল না। মেসির মাতৃসূত্রের পূর্বপুরুষ রানিয়েরো কোচেত্তিনি ইতালির ঘরবাড়ি ছেড়ে ১৮৯৯ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে পাড়ি জমান।
সেখানকার সরকারি খাতায় নামের বানানের পরিবর্তনে পদবিটি রূপান্তরিত হয়ে 'কুচ্চিত্তিনি' হয়। ব্রাজিলে বসবাসের সময় ১৯০৪ সালে জন্ম নেন মেসির প্রপিতামহ আরদেরিগো (পরবর্তীতে ফেদেরিকো), যার মাধ্যমে 'কুচ্চিত্তিনি' পদবি স্থায়ী হয়।
ফেদেরিকোর জন্মের পর ১৯০৫ সালে পরিবারটি ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে জন্ম নেন ফুটবল জাদুকর মেসি।
ইতালির পাশাপাশি ব্রাজিলীয় সংযোগের এই তথ্য সামনে আসার পর ব্রাজিলজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল ও রসিকতার সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির পারিবারিক বংশতালিকা অনুসন্ধান করে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পেয়েছেন ইতালির ইতিহাসবিদ ও ব্যাংকার ফিওরেঞ্জো সান্তিনি। তার গবেষণায় উঠে এসেছে, মেসির মাতৃসূত্রের প্রপিতামহ (মায়ের দাদার বাবা) কিছু সময়ের জন্য ব্রাজিলে বসবাস করেছিলেন এবং সেখানেই মেসির নানার বংশগত পদবির উদ্ভব হয়।
মেসির পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি। সান্তিনির গবেষণা অনুযায়ী, ইতালিতে ‘কুচ্চিত্তিনি’ নামে কোনো পদবি ছিল না। মেসির মাতৃসূত্রের পূর্বপুরুষ রানিয়েরো কোচেত্তিনি ইতালির ঘরবাড়ি ছেড়ে ১৮৯৯ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে পাড়ি জমান।
সেখানকার সরকারি খাতায় নামের বানানের পরিবর্তনে পদবিটি রূপান্তরিত হয়ে 'কুচ্চিত্তিনি' হয়। ব্রাজিলে বসবাসের সময় ১৯০৪ সালে জন্ম নেন মেসির প্রপিতামহ আরদেরিগো (পরবর্তীতে ফেদেরিকো), যার মাধ্যমে 'কুচ্চিত্তিনি' পদবি স্থায়ী হয়।
ফেদেরিকোর জন্মের পর ১৯০৫ সালে পরিবারটি ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে জন্ম নেন ফুটবল জাদুকর মেসি।
ইতালির পাশাপাশি ব্রাজিলীয় সংযোগের এই তথ্য সামনে আসার পর ব্রাজিলজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল ও রসিকতার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন