বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একইসঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি, কর ও বন্ডেজ সুবিধা দেওয়া এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানী তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বিইএআর (BEAR) সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এই যুগে মোবাইল, এআই, রোবোটিক্স ও স্যাটেলাইটসহ সকল আধুনিক প্রযুক্তির ভিত্তি হলো সেমিকন্ডাক্টর। বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, চলতি বাজেটে কাঁচামালের ওপর সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার, ডিজাইন সার্ভিস রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা চালু এবং নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনে বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একইসঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি, কর ও বন্ডেজ সুবিধা দেওয়া এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানী তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বিইএআর (BEAR) সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এই যুগে মোবাইল, এআই, রোবোটিক্স ও স্যাটেলাইটসহ সকল আধুনিক প্রযুক্তির ভিত্তি হলো সেমিকন্ডাক্টর। বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, চলতি বাজেটে কাঁচামালের ওপর সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার, ডিজাইন সার্ভিস রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা চালু এবং নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনে বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন